এখন ০৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আজীবন স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করতে, সকলের দোয়া চাই প্রবাসী জামাল আহমদ

বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ মানবসেবা করতে হলে মেম্বার, চেযারম্যান, এমপি মন্ত্রী হতে হবে নতুবা মানুষের কল্যাণ করা যাবেনা এমন ধারনা সঠিক নয়। যার যার অবস্হান থেকে মানুষের কল্যাণ করা যায়। আর মানুষের কল্যাণ করতে প্রথমে বিশুদ্ধ মন আর মন থেকে হিংসা বিদ্ধেশ দুর করতে হবে। মানুষের সাথে মিল মহব্বত ও মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখার বিকল্প নেই।

প্রবাসীরা বিশুদ্ধ মনে গ্রাম তথা স্বদেশের কল্যাণ করে যাচ্ছেন। আমার জীবনে চেয়ারম্যান মেম্বার, এমপি হওয়ার শখ নেই। আজীবন স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করতে, সকলের দোয়া চাই।

আর এমন কাজ আমার পরিবার পরিমন্ডল থেকে থেকেই শিখে এসেছি। আমার পিতা এই গ্রাম তথা এই এলাকার কল্যাণে কাজ করেগেছেন। আমরাও আমাদের পিতার সেই দর্শনে উজ্জেবিত হয়ে আজীবন মানুষ তথা এলাকার কল্যাণে কাজ করেই যাব ইনশাআল্লাহ।

কথা গুলো বলেছেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশ্বনাথের টেংরার অধিবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক, টেংরা প্রগতি যুব সংঘের সাবেক সদস্য ও যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট ক্যাটারিং ব্যবসায়ী জামাল আহমেদ গত ২৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্বনাথের টেংরায় তার নিজ বাসভবনে আন্তরিক পরিবেশে সাপ্তাহিক আমাদের সিলেটের সাথে সৌজন্য এক সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত কথা গুলো তিনি ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি একাধিক প্রশ্নের উত্তরও খোলামেলা দিয়েছেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা দুই ভাই তিন বোন। আব্বা, আম্মা নেই।
তিন বোনের মধ্যে এক বোন নেই।
বর্তমানে দুই বোনের মধ্যে এক বোন স্হায়ী ভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। আমরা দুই ভাই স্হায়ী ভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাস করে আসছি। আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই হচ্ছেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাশির আলী। ভাই হিসাবে ভাইয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে আজ আমি দেশে বিদেশে
ভাল অবস্হানে রয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।

দেশে আমাদের বাড়ী ঘর সম্পত্তি নিজ আত্নীয় স্বজনদের মধ্যে থেকে দেখাশুনা করার মত মানুষ নেই এবং নিজেদের মধ্যে আমাদের উপর কেউই আর্থিক ভাবে ডিপেন্ড নেই।

কিন্তু স্বদেশে জন্মভূমির নাড়ির টানে প্রতি বৎসরই আমি ও আমার ভাই আসার চেষ্টা করি। সমাজসেবক জামাল আহমদ বলেন, আমাদের ছেলে মেয়ে এদেশে এসে সম্পতি দেখবাল করবেনা। তারা এসব বুঝবেওনা! দেশের ক্যালচারের প্রতি তাদের অনিহা! বাংলাদেশকে বিভিন্ন কারণে ভয় করে! আমরা মারা যাওয়ার পর আমাদের সম্পতি বেওয়ারিশ হয়ে যাবে! সেজন্য ২৬ কিয়ার জমিন নিয়ে এক সাথে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দর্শনীয় বাগানবাড়ী তৈরী করার চেষ্টা করছি।

কারণ এই বাগান বাড়ী বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গাছরা থেকে দেশ ও জাতি উপকার পাবে। তিনি বলেন, আমার আব্বা যুক্তরাজ্যে বসবাস করলেও কিন্তু আমরা দুই ভাই পিতার রাইটে যুক্তরাজ্যে যেতে পারি নাই। এক মাত্র আমার একজন বোন প্রায় বিশ বৎসর পূর্বে পিতার রাইটে তার স্বামী ও ছেলে মেয়ে নিয়ে যুক্তরাজ্যে স্হায়ী বাসিন্দা হয়েছেন । তিনি বলেন, যথাসাধ্য স্বদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি এটা আমাদের পারিবারিক শিক্ষা।

তিনি বলেন, যে কোনো একজন মানুষের কাছে মানুষ হিসাবে পৃথিবীর অন্য যে, কোনো একজন মানুষের হক রয়েছে। আমি যে রোজি করি এই রোজি শুধু আমার জন্য নয়, এটাতে পৃথিবীর অরোও বনি আদমের অধিকার রয়েছে। আর এই দায়িত্ববোধ নিয়েই আমরা প্রবাসীরা যারা প্রবাসে আছি তারা স্বদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যয় করে থাকেন।

এই যে, প্রিয় জন্মভূমি টেংরায়
বছর দেড় বছর পূর্বে গ্রামের ছোট রাস্হা দেওয়াল ভেঙে রাস্হা সংস্কারে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে যে দৃষ্টান্তমূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন। এটাত অবশ্যই টেংরা গ্রামের প্রবাসীদের অর্থায়নে হয়েছে।
এটা যদি নাও করতেন প্রবাসীরা পারতেন, কিন্তু প্রবাসীদের হৃদয়ে স্বদেশের মানুষের প্রতি অগাধ দরদ ছিলো এবং ছিল জন্মভূমি মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা যার জন্যই প্রবাসীরা মহৎ মন ও দেশ প্রেমের উজ্জ্বল পরিচয় দিচ্ছেন।

টেংরার প্রবাসীরা টেংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টেংরা জামে মসজিদ, টেংরা কবরস্হান, টেংরা শাহী ঈদগা, টেংরার ভিতরের প্রতিটি রাস্হা বিনির্মাণে বর্তমান তথা অতীতের প্রবাসীদের অবদান শীর্ষে।

তিনি বলেন, প্রবাসীরা হচ্ছেন, প্রকৃত দেশ প্রেমিক। প্রবাসীরা ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের অবদান উদহারণ যোগ্য। যদিও আমরা প্রবাসে বসবাস করি কিন্তু আমাদের মন থাকে জন্মভূমি প্রিয় বাংলাদেশে। আমাদের চিন্তা ভাবনা গবেষণা প্রিয় স্বদেশকে নিয়ে।

তিনি বলেন, স্বদেশ বাসীর কাছে আমাদের চাওয়া পাওয়া কিছুই নেই। তবে আছে একটা আর সেটা হচ্ছে স্বদেশের মানুষের দোয়া। দেশের মানুষ আমাদেরকে সম্মান করুক আর নাই করুক আমারা আমাদের দায়িত্ববোধ থেকেই স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করেই যাব ইনশাআল্লাহ।

প্রবাসী সমাজসেবক জামাল আহমদের কাছে প্রশ্ন উত্তাপিত হয়েছিল আপনার জীবনের স্বপ্ন কি? এর উত্তরে তিনি বলেন, এই পৃথিবীতে আমরা কেউই স্হায়ী নয়, আমাদের সকলকে এই পৃথিবী থেকে চলে যেতেই হবে। যাওয়ার পূর্বে ভালো ভালো কাজ করতে চাই, ঈমান ও আমলে জীবন চালাতে চাই। মানুষের মঙ্গলে জীবন উৎসর্গ করতে চাই। এ গুলোই জীবনের স্বপ্ন।

স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করার পর আপনার অনুভূতি জানলে খুশি হবো? এতে জামাল আহমদ জানান, হৃদয়ে প্রশান্তি উদিত হয়।

গ্রামবাসীর উদ্যেশ্যে কিছু বলুন? গ্রামের মানুষ উন্নয়নে অতীতে যে, ভাবে ছিলেন ভবিয্যতেও তেমন থাকবেন। একে অন্যের জন্য কল্যাণ কামনা করবেন। একে অন্যের সুখে দুঃখে পাশে এবং গ্রামের কল্যাণে কাজ করবেন। বিভাজন ভূলে ঐক্যতার তীর গড়ে তুলতে হবে। ছোট বড়কে সম্মান, বড় ছোটকে মহব্বত প্রদানে চেষ্টা এবং দেশের কল্যাণে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে স্বদেশ প্রেমিক হতে হবে। পরবর্তী জেনারেশনকে সু শিক্ষায় শিক্ষিত ও যোগ্য মানুষ হিসাবে গড়ে তুলার প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখতে হবে।

সমাজসেবক যুক্তরাজ্য প্রবাসী জামাল আহমদের পিতা মরহুম আব্দুল মজিদ ও মাতা – মরহুমা জলিখা খাতুন।
দুই ভাই ও তিন বোন। এক বোন ইন্তেকাল করেন। তিনি ভাই ও বোনদের মধ্যে সবার ছোট তিনি। ১৯৭৪ সালে জামাল আহমদ বিশ্বনাথের টেংরা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

আজীবন স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করতে, সকলের দোয়া চাই প্রবাসী জামাল আহমদ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:০৪:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ মানবসেবা করতে হলে মেম্বার, চেযারম্যান, এমপি মন্ত্রী হতে হবে নতুবা মানুষের কল্যাণ করা যাবেনা এমন ধারনা সঠিক নয়। যার যার অবস্হান থেকে মানুষের কল্যাণ করা যায়। আর মানুষের কল্যাণ করতে প্রথমে বিশুদ্ধ মন আর মন থেকে হিংসা বিদ্ধেশ দুর করতে হবে। মানুষের সাথে মিল মহব্বত ও মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করার প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখার বিকল্প নেই।

প্রবাসীরা বিশুদ্ধ মনে গ্রাম তথা স্বদেশের কল্যাণ করে যাচ্ছেন। আমার জীবনে চেয়ারম্যান মেম্বার, এমপি হওয়ার শখ নেই। আজীবন স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করতে, সকলের দোয়া চাই।

আর এমন কাজ আমার পরিবার পরিমন্ডল থেকে থেকেই শিখে এসেছি। আমার পিতা এই গ্রাম তথা এই এলাকার কল্যাণে কাজ করেগেছেন। আমরাও আমাদের পিতার সেই দর্শনে উজ্জেবিত হয়ে আজীবন মানুষ তথা এলাকার কল্যাণে কাজ করেই যাব ইনশাআল্লাহ।

কথা গুলো বলেছেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিশ্বনাথের টেংরার অধিবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক, টেংরা প্রগতি যুব সংঘের সাবেক সদস্য ও যুক্তরাজ্যের বিশিষ্ট ক্যাটারিং ব্যবসায়ী জামাল আহমেদ গত ২৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিশ্বনাথের টেংরায় তার নিজ বাসভবনে আন্তরিক পরিবেশে সাপ্তাহিক আমাদের সিলেটের সাথে সৌজন্য এক সাক্ষাৎকারে উপরোক্ত কথা গুলো তিনি ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি একাধিক প্রশ্নের উত্তরও খোলামেলা দিয়েছেন।

সৌজন্য সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমরা দুই ভাই তিন বোন। আব্বা, আম্মা নেই।
তিন বোনের মধ্যে এক বোন নেই।
বর্তমানে দুই বোনের মধ্যে এক বোন স্হায়ী ভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। আমরা দুই ভাই স্হায়ী ভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাস করে আসছি। আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই হচ্ছেন, যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাশির আলী। ভাই হিসাবে ভাইয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে আজ আমি দেশে বিদেশে
ভাল অবস্হানে রয়েছি। আলহামদুলিল্লাহ।

দেশে আমাদের বাড়ী ঘর সম্পত্তি নিজ আত্নীয় স্বজনদের মধ্যে থেকে দেখাশুনা করার মত মানুষ নেই এবং নিজেদের মধ্যে আমাদের উপর কেউই আর্থিক ভাবে ডিপেন্ড নেই।

কিন্তু স্বদেশে জন্মভূমির নাড়ির টানে প্রতি বৎসরই আমি ও আমার ভাই আসার চেষ্টা করি। সমাজসেবক জামাল আহমদ বলেন, আমাদের ছেলে মেয়ে এদেশে এসে সম্পতি দেখবাল করবেনা। তারা এসব বুঝবেওনা! দেশের ক্যালচারের প্রতি তাদের অনিহা! বাংলাদেশকে বিভিন্ন কারণে ভয় করে! আমরা মারা যাওয়ার পর আমাদের সম্পতি বেওয়ারিশ হয়ে যাবে! সেজন্য ২৬ কিয়ার জমিন নিয়ে এক সাথে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দর্শনীয় বাগানবাড়ী তৈরী করার চেষ্টা করছি।

কারণ এই বাগান বাড়ী বিভিন্ন প্রজাতির গাছ গাছরা থেকে দেশ ও জাতি উপকার পাবে। তিনি বলেন, আমার আব্বা যুক্তরাজ্যে বসবাস করলেও কিন্তু আমরা দুই ভাই পিতার রাইটে যুক্তরাজ্যে যেতে পারি নাই। এক মাত্র আমার একজন বোন প্রায় বিশ বৎসর পূর্বে পিতার রাইটে তার স্বামী ও ছেলে মেয়ে নিয়ে যুক্তরাজ্যে স্হায়ী বাসিন্দা হয়েছেন । তিনি বলেন, যথাসাধ্য স্বদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি এটা আমাদের পারিবারিক শিক্ষা।

তিনি বলেন, যে কোনো একজন মানুষের কাছে মানুষ হিসাবে পৃথিবীর অন্য যে, কোনো একজন মানুষের হক রয়েছে। আমি যে রোজি করি এই রোজি শুধু আমার জন্য নয়, এটাতে পৃথিবীর অরোও বনি আদমের অধিকার রয়েছে। আর এই দায়িত্ববোধ নিয়েই আমরা প্রবাসীরা যারা প্রবাসে আছি তারা স্বদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যয় করে থাকেন।

এই যে, প্রিয় জন্মভূমি টেংরায়
বছর দেড় বছর পূর্বে গ্রামের ছোট রাস্হা দেওয়াল ভেঙে রাস্হা সংস্কারে প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে যে দৃষ্টান্তমূলক কাজ সম্পন্ন করেছেন। এটাত অবশ্যই টেংরা গ্রামের প্রবাসীদের অর্থায়নে হয়েছে।
এটা যদি নাও করতেন প্রবাসীরা পারতেন, কিন্তু প্রবাসীদের হৃদয়ে স্বদেশের মানুষের প্রতি অগাধ দরদ ছিলো এবং ছিল জন্মভূমি মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালবাসা যার জন্যই প্রবাসীরা মহৎ মন ও দেশ প্রেমের উজ্জ্বল পরিচয় দিচ্ছেন।

টেংরার প্রবাসীরা টেংরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, টেংরা জামে মসজিদ, টেংরা কবরস্হান, টেংরা শাহী ঈদগা, টেংরার ভিতরের প্রতিটি রাস্হা বিনির্মাণে বর্তমান তথা অতীতের প্রবাসীদের অবদান শীর্ষে।

তিনি বলেন, প্রবাসীরা হচ্ছেন, প্রকৃত দেশ প্রেমিক। প্রবাসীরা ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের অবদান উদহারণ যোগ্য। যদিও আমরা প্রবাসে বসবাস করি কিন্তু আমাদের মন থাকে জন্মভূমি প্রিয় বাংলাদেশে। আমাদের চিন্তা ভাবনা গবেষণা প্রিয় স্বদেশকে নিয়ে।

তিনি বলেন, স্বদেশ বাসীর কাছে আমাদের চাওয়া পাওয়া কিছুই নেই। তবে আছে একটা আর সেটা হচ্ছে স্বদেশের মানুষের দোয়া। দেশের মানুষ আমাদেরকে সম্মান করুক আর নাই করুক আমারা আমাদের দায়িত্ববোধ থেকেই স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করেই যাব ইনশাআল্লাহ।

প্রবাসী সমাজসেবক জামাল আহমদের কাছে প্রশ্ন উত্তাপিত হয়েছিল আপনার জীবনের স্বপ্ন কি? এর উত্তরে তিনি বলেন, এই পৃথিবীতে আমরা কেউই স্হায়ী নয়, আমাদের সকলকে এই পৃথিবী থেকে চলে যেতেই হবে। যাওয়ার পূর্বে ভালো ভালো কাজ করতে চাই, ঈমান ও আমলে জীবন চালাতে চাই। মানুষের মঙ্গলে জীবন উৎসর্গ করতে চাই। এ গুলোই জীবনের স্বপ্ন।

স্বদেশবাসীর কল্যাণে কাজ করার পর আপনার অনুভূতি জানলে খুশি হবো? এতে জামাল আহমদ জানান, হৃদয়ে প্রশান্তি উদিত হয়।

গ্রামবাসীর উদ্যেশ্যে কিছু বলুন? গ্রামের মানুষ উন্নয়নে অতীতে যে, ভাবে ছিলেন ভবিয্যতেও তেমন থাকবেন। একে অন্যের জন্য কল্যাণ কামনা করবেন। একে অন্যের সুখে দুঃখে পাশে এবং গ্রামের কল্যাণে কাজ করবেন। বিভাজন ভূলে ঐক্যতার তীর গড়ে তুলতে হবে। ছোট বড়কে সম্মান, বড় ছোটকে মহব্বত প্রদানে চেষ্টা এবং দেশের কল্যাণে নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে স্বদেশ প্রেমিক হতে হবে। পরবর্তী জেনারেশনকে সু শিক্ষায় শিক্ষিত ও যোগ্য মানুষ হিসাবে গড়ে তুলার প্রচেষ্ঠা অব্যাহত রাখতে হবে।

সমাজসেবক যুক্তরাজ্য প্রবাসী জামাল আহমদের পিতা মরহুম আব্দুল মজিদ ও মাতা – মরহুমা জলিখা খাতুন।
দুই ভাই ও তিন বোন। এক বোন ইন্তেকাল করেন। তিনি ভাই ও বোনদের মধ্যে সবার ছোট তিনি। ১৯৭৪ সালে জামাল আহমদ বিশ্বনাথের টেংরা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।