এখন ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভুয়া ডাক্তার মামুনের পর এবার মালিক হেলালের ভিডিও ভাইরাল

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরে আলোচিত মহানগর ক্লিনিকের ভুয়া চিকিৎসক মামুনুর রশিদ মামুনের পর এবার মালিক হেলালের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভুয়া চিকিৎসক মামুন এক প্রসুতির অস্ত্রপাচার করছেন সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। আর এবার মালিক হেলাল নিজমুখে শিকার করেছেন সরকারী হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী মরছে, তাহলে বছর ছমাসে তার ক্লিনিকে দু’একজন রোগী মরতে পারে না, এটা নিয়ে হৈচৈ করার কি আছে এমন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।অন্যদিকে মহানগর ক্লিনিকের এই দুটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মহানগর ক্লিনিক বন্ধ ও ভুয়া চিকিৎসক মামুনকে গ্রেফতারের দাবি করেছেন।
স্থানীয় সুত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ মহানগর ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ক্লিনিকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ভুয়া চিকিৎসক মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য টিএইচও সাহেবকে নির্দেশ দেন। কিন্ত্ত অজ্ঞাত কারণে তিনি মামলা দিয়ে কালক্ষেপণ ও ঘটনা ধাঁমাচাপা দেবার চেস্টা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে হেলাল উদ্দিন বলেন, মামুন ম্যানেজার ছিল সে কোনো চিকিৎসক নয়, তিনি যেটা করেছেন সেটার দায়িত্ব তার। এবিষয়ে মালিক হেলাল উদ্দিন জানান, আমাকে যত প্রকার বাঁশ দেওয়ার দিয়েছে মামুন, আমাকে মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলেছেন ইউএনও স্যার, মামলা কি করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে ধকল যাচ্ছে, তবে করা হবে। রাজশাহী ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ রাজিউল হক জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও লোকাল প্রশাসনকে ঘটনা অবহিত করা হয়েছে এবং অভিযান দিয়ে কি ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে তার প্রতিবেদন দিতে বলেছি। তার ক্লিনিক অনুমোদিত কি না জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন কাগজপত্র দেখে বলতে হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (টিএচও) ডাঃ আব্দুল হাকিম জানান, অভিযান পরিচালনা করে ইউএনও দশ হাজার টাকা জরিমানা ও হেলালকে মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলেছেন। অভিযান এবং ক্লিনিকের তদন্ত
প্রতিবেদন সিভিল সার্জনকে দেয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি জানান মৌখিক ভাবে বলা হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পংকজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, মালিককে নয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ( টিএইচও) মামলা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে পুনরায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল হাকিমকে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, আমি কোন মামলা করতে পারব না। এবিষয়ে পুনরায় ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ভুয়া ডাক্তার মামুনের পর এবার মালিক হেলালের ভিডিও ভাইরাল

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫৯:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরে আলোচিত মহানগর ক্লিনিকের ভুয়া চিকিৎসক মামুনুর রশিদ মামুনের পর এবার মালিক হেলালের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভুয়া চিকিৎসক মামুন এক প্রসুতির অস্ত্রপাচার করছেন সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। আর এবার মালিক হেলাল নিজমুখে শিকার করেছেন সরকারী হাসপাতালে প্রতিদিন রোগী মরছে, তাহলে বছর ছমাসে তার ক্লিনিকে দু’একজন রোগী মরতে পারে না, এটা নিয়ে হৈচৈ করার কি আছে এমন ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।অন্যদিকে মহানগর ক্লিনিকের এই দুটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা মহানগর ক্লিনিক বন্ধ ও ভুয়া চিকিৎসক মামুনকে গ্রেফতারের দাবি করেছেন।
স্থানীয় সুত্র জানায়, গত ২০ আগস্ট শনিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ মহানগর ক্লিনিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান ক্লিনিকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ভুয়া চিকিৎসক মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করার জন্য টিএইচও সাহেবকে নির্দেশ দেন। কিন্ত্ত অজ্ঞাত কারণে তিনি মামলা দিয়ে কালক্ষেপণ ও ঘটনা ধাঁমাচাপা দেবার চেস্টা করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে হেলাল উদ্দিন বলেন, মামুন ম্যানেজার ছিল সে কোনো চিকিৎসক নয়, তিনি যেটা করেছেন সেটার দায়িত্ব তার। এবিষয়ে মালিক হেলাল উদ্দিন জানান, আমাকে যত প্রকার বাঁশ দেওয়ার দিয়েছে মামুন, আমাকে মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলেছেন ইউএনও স্যার, মামলা কি করা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যে ধকল যাচ্ছে, তবে করা হবে। রাজশাহী ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ রাজিউল হক জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও লোকাল প্রশাসনকে ঘটনা অবহিত করা হয়েছে এবং অভিযান দিয়ে কি ব্যবস্হা নেওয়া হয়েছে তার প্রতিবেদন দিতে বলেছি। তার ক্লিনিক অনুমোদিত কি না জানতে চাইলে তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন কাগজপত্র দেখে বলতে হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (টিএচও) ডাঃ আব্দুল হাকিম জানান, অভিযান পরিচালনা করে ইউএনও দশ হাজার টাকা জরিমানা ও হেলালকে মামুনের বিরুদ্ধে মামলা করতে বলেছেন। অভিযান এবং ক্লিনিকের তদন্ত
প্রতিবেদন সিভিল সার্জনকে দেয়া হয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি জানান মৌখিক ভাবে বলা হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পংকজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, মালিককে নয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ( টিএইচও) মামলা করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে পুনরায় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল হাকিমকে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, আমি কোন মামলা করতে পারব না। এবিষয়ে পুনরায় ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।