মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় দশম শ্রেণীর এক ছাত্রীর মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার সৎ মায়ের বিরুদ্ধে।
নিহতের নাম ফারজানা বানু (১৫)। সে ছাতিয়ানগ্রামের হারদাম গ্রামের ফেরদৌস আলীর মেয়ে।
বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে নিজ শয়নঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলিশ ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা যায়, ছাতিয়ানগ্রামের হারদাম গ্রামের ফেরদৌস আলীর প্রথম স্ত্রী সাথে বনিবনা না হওয়ায় তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তিন-চার বছর আগে শিল্পী বেগম নামের এক নারীকে বিয়ে করে ঘরসংসার করে আসছেন তিনি।
এলাকাবাসীর দাবি, বিয়ের পর থেকে তাদের সংসারে নানা প্রকার ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত।
বুধবার দুপুরে ফারজানার শয়নঘরে গিয়ে তার ওড়নায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান বাবা ফেরদৌস। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করে।
তবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ জানতে পারে তার সৎ মা শিল্পী বেগম পালিয়ে গেছেন।
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে ওই স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে স্থানীয় জনতার তোপের মুখে তার সৎ মা পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি।













