এখন ০৪:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে শর্ত দিয়ে চাকরি, নয় বছরেও হয়নি শর্ত পুরুণে

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের তালন্দ লোলিত মোহন ডিগ্রী কলেজে জালিয়াতি ও শর্ত দিয়ে কর্মচারি নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। কথা প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বিষ্ণুপদ সরকার বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মেয়র ইমরুল হকের ছোট ভাই সোহেল রানা শর্ত দিয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরি বাগিয়ে নিয়েছেন। কিন্ত্ত নয় বছরেও শর্ত পুরুণ না করেই রানা সরকারী কোষোগার থেকে বেতনভাতা উত্তোলন ও হজম করছে, যেটা ফৌজদারি অপরাধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, কলেজ সভাপতি (তৎকালীন) ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুন বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে অবৈধভাবে রানাকে নিয়োগ দিয়েছেন। এদিকে ঘটনা ফাঁস হলে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে একই সঙ্গে নিয়োগ বোর্ডের জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন শিক্ষক মহল।
জানা গেছে, বিগত ২০১৩ সালে তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগ দেওয়া হয় সোহেল রানাকে। কিন্ত্ত তার লাইব্রেরিয়ান সনদ না থাকায় নিয়োগ বোর্ডকে শর্ত দেন চাকরি পাবার তিন বছরের মধ্যে তিনি সার্টিফিকেট জমা দিবেন। কিন্ত্ত নয় বছর পেরিয়ে গেলেও এখানো শর্ত পুরুণ না করেই সরকারি কোষাগারের টাকা হজম করছে।
এদিকে নিয়োগের তারিখ, কমিটির সদস্য, ডিজির প্রতিনিধি ইত্যাদি সম্পর্কে সুনিদ্রিষ্ট তথ্য জানতে চাইলে কলেজ কর্তৃপক্ষ তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে কলেজ অধ্যক্ষ বিষ্ণুপদ সরকার বলেন, সোহেল রানার দারুল ইহসানের সার্টিফিকেট, তিনি ওই সময় শর্ত দিয়েছিলেন দুই তিন বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোর্স করে সার্টিফিকেট দিবেন, তবে এতো দিনেও তিনি সার্টিফিকেট দিতে পারেননি কেনো সেটা তিনিই ভাল বলতে পারবেন। তবে শর্ত দিয়ে কি নিয়োগ হয়, আর ডিজির প্রতিনিধি ছিলেন কে এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এতদিন হয়ে গেল তার কিছুই মনে নেই। এবিষয়ে জানতে চাইলে
সোহেল রানা উত্তেজিত হয়ে বলেন, আমাকে কেনো ফোন দিয়েছ, কলেজ থেকে যা জানার প্রয়োজন তা জেনে নিও। এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এমন শর্ত দিয়ে চাকরি হবার কোনো সুযোগ নাই। এবিষয়ে জানতে তালন্দ কলেজের (তৎকালীন) সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের
(০১৭১১-১৩৬৮৭৫) মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে শর্ত দিয়ে চাকরি, নয় বছরেও হয়নি শর্ত পুরুণে

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের তালন্দ লোলিত মোহন ডিগ্রী কলেজে জালিয়াতি ও শর্ত দিয়ে কর্মচারি নিয়োগের অভিযোগ উঠেছে। কথা প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ বিষ্ণুপদ সরকার বলেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে মেয়র ইমরুল হকের ছোট ভাই সোহেল রানা শর্ত দিয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে চাকরি বাগিয়ে নিয়েছেন। কিন্ত্ত নয় বছরেও শর্ত পুরুণ না করেই রানা সরকারী কোষোগার থেকে বেতনভাতা উত্তোলন ও হজম করছে, যেটা ফৌজদারি অপরাধ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষক বলেন, কলেজ সভাপতি (তৎকালীন) ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-মামুন বড় অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়ে অবৈধভাবে রানাকে নিয়োগ দিয়েছেন। এদিকে ঘটনা ফাঁস হলে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে একই সঙ্গে নিয়োগ বোর্ডের জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেছেন শিক্ষক মহল।
জানা গেছে, বিগত ২০১৩ সালে তালন্দ ললিত মোহন ডিগ্রি কলেজে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগ দেওয়া হয় সোহেল রানাকে। কিন্ত্ত তার লাইব্রেরিয়ান সনদ না থাকায় নিয়োগ বোর্ডকে শর্ত দেন চাকরি পাবার তিন বছরের মধ্যে তিনি সার্টিফিকেট জমা দিবেন। কিন্ত্ত নয় বছর পেরিয়ে গেলেও এখানো শর্ত পুরুণ না করেই সরকারি কোষাগারের টাকা হজম করছে।
এদিকে নিয়োগের তারিখ, কমিটির সদস্য, ডিজির প্রতিনিধি ইত্যাদি সম্পর্কে সুনিদ্রিষ্ট তথ্য জানতে চাইলে কলেজ কর্তৃপক্ষ তা জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে কলেজ অধ্যক্ষ বিষ্ণুপদ সরকার বলেন, সোহেল রানার দারুল ইহসানের সার্টিফিকেট, তিনি ওই সময় শর্ত দিয়েছিলেন দুই তিন বছরের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোর্স করে সার্টিফিকেট দিবেন, তবে এতো দিনেও তিনি সার্টিফিকেট দিতে পারেননি কেনো সেটা তিনিই ভাল বলতে পারবেন। তবে শর্ত দিয়ে কি নিয়োগ হয়, আর ডিজির প্রতিনিধি ছিলেন কে এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এতদিন হয়ে গেল তার কিছুই মনে নেই। এবিষয়ে জানতে চাইলে
সোহেল রানা উত্তেজিত হয়ে বলেন, আমাকে কেনো ফোন দিয়েছ, কলেজ থেকে যা জানার প্রয়োজন তা জেনে নিও। এবিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এমন শর্ত দিয়ে চাকরি হবার কোনো সুযোগ নাই। এবিষয়ে জানতে তালন্দ কলেজের (তৎকালীন) সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুনের
(০১৭১১-১৩৬৮৭৫) মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।