এখন ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হত্যা-গুমের রাজনীতি আর নয়: বাংলাদেশ কংগ্রেস

আদম আলী, বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন বলেছেন, দেশে হত্যা, গুম ও নির্যাতনের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ হওয়া দরকার। জাতীয় শোক দিবসে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে কাজী রেজাউল হোসেন আরও বলেন, পচাত্তরের পনেরই আগস্ট সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ড জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রাজনীতিতে হত্যা, গুম ও নির্যাতন কোন প্রকারেই গ্রহনযোগ্য নয়। তিনি সবাইকে সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চায় উদ্বুদ্ধ হতে বিবৃতিতে আহবান জানান।

এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পচাত্তরের পনেরই আগস্ট হত্যাকান্ডের শিকার সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, পচাত্তরের পনেরই আগস্টের মতো ন্যাক্কারজনক রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় হত্যাকান্ড ভবিষ্যতে আর যাতে না ঘটে সেজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। এর জন্য প্রতিহিংসা ও নির্যাতনমূলক রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি পরিহার করতে হবে এবং গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

হত্যা-গুমের রাজনীতি আর নয়: বাংলাদেশ কংগ্রেস

প্রকাশিত হয়েছে: ০৪:০৬:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

আদম আলী, বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ বাংলাদেশ কংগ্রেস-এর চেয়ারম্যান এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন বলেছেন, দেশে হত্যা, গুম ও নির্যাতনের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ হওয়া দরকার। জাতীয় শোক দিবসে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে কাজী রেজাউল হোসেন আরও বলেন, পচাত্তরের পনেরই আগস্ট সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ড জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ কংগ্রেসের চেয়ারম্যান বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে মোকাবিলা করতে হবে। রাজনীতিতে হত্যা, গুম ও নির্যাতন কোন প্রকারেই গ্রহনযোগ্য নয়। তিনি সবাইকে সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চায় উদ্বুদ্ধ হতে বিবৃতিতে আহবান জানান।

এ্যাডঃ কাজী রেজাউল হোসেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পচাত্তরের পনেরই আগস্ট হত্যাকান্ডের শিকার সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, পচাত্তরের পনেরই আগস্টের মতো ন্যাক্কারজনক রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় হত্যাকান্ড ভবিষ্যতে আর যাতে না ঘটে সেজন্য সবাইকে সচেতন হতে হবে। এর জন্য প্রতিহিংসা ও নির্যাতনমূলক রাজনীতি ও রাষ্ট্রনীতি পরিহার করতে হবে এবং গণতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হতে হবে।