এখন ০৫:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপি ফারুক চৌধুরীর নেয়া উদ্যোগের সুফল পাচ্ছে তৃণমুল

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর নেয়া তাল,খেজুর ও সজিনা গাছ রোপণ উদ্যোগের সুফল পাচ্ছে তৃণমুলের মানুষ। জনপ্রতিনিধি পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদানের জন্য মহামান্য রাস্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে থেকে তিনি স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক অর্জন করেছেন। তার নির্বাচনী এলাকা
তানোর-গোদাগাড়ী প্রচন্ড খরা ও বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। বিষয়টি বিবেচনা করে তিনি এটা থেকে পরিত্রাণের জন্য গবেষণা শুরু করেন। গবেষণা পরবর্তীতে বৃক্ষপ্রেমী এই সাংসদ নিজ উদ্যোগে নির্বাচনী এলাকায় তাল-খেজুর বীজ রোপণ ও সজিনা চাষের উদ্যোগ নিয়ে প্রায় দুই কোটি তাল-খেজুর বীজ এবং প্রায় পঞ্চাশ হাজার সজিনার গাছ বিতরণ করেন। এ সময় সাংসদের তাল-খেজুর ও সজিনা গাছ রোপণ কর্মসুচি নিয়ে প্রতিপক্ষরা নানা নেতিবাচক সমালোচনা করে। এদিকে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত হয়েছে তাল গাছ বজ্রপাত প্রতিরোধক ও খেজুর ভুর্গস্ত পানি ধরে রাখতে সহায়ক এবং সজিনা গাছ বিষাক্ত সাপ প্রতিরোধী। সুত্র জানায়, যে এলাকায় তাল গাছ রয়েছে সে এলাকায় বজ্রপাত কম এবং যে এলাকায় খেজুর গাছ রয়েছে সে এলাকায় খরা কম ও যে এলাকায় সজিনা গাছ বেশী সে এলাকায় বিষাক্ত সাপের উপদ্রুপ কম হয়। এছাড়াও তাল-খেজুর রস থেকে গুড় ও তালের শস, খেজুর ফল এবং সজিনাডাঁটা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হচ্ছে। আবার সরকারি রাস্তার ধার, খাল-খাড়ি, বসত বাড়ির পতিত জায়গা, ঝোপঝাড়ে এসব গাছ রোপণ করা যায়। ইতিমধ্যে এমপি ফারুক চৌধুরীর দেখানো পথ অনুসরণ করে
প্রতি মৌসুমে অনেক বেকার যুবক তালের শস, খেজুর রস ও সজিনা ডাঁটা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তানোর-গোদাগাড়ী প্রচন্ডখরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের অর্ন্তভুক্ত হওয়ায় এখানে বাণিজ্যিকভাবে তাল, খেজুর ও সজিনা চাষের উজ্জ্বল সম্ভবনা রয়েছে। এসব এলাকার রাস্তা, খাল-খাড়ি, খাস পুকুরের ধারে ও বসত বাড়ির পতিতি জমিতে পরিকল্পনা করে তাল, খেজুর ও সজিনা গাছ রোপণ করে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি কৃষকরা সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারেন। তাল ও খেজুর গাছের রস, খেজুর, তালকুর (কাঁচা তাল) ও সজিনা ডাঁটা বিক্রি করে স্বাবলম্বি হতে পারেন হাজার হাজার বেকার যুবক। এছাড়াও তাল ও খেজুর গাছের ডাল থেকে জ্বালানী, তাল গাছ থেকে ঘরের তীর, পাইড়, ডুঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরণের পণ্য সামগ্রী বানিয়ে এ অঞ্চলের মানুষ ব্যবহার করে থাকে। আবার তাল ও খেজুরের রস থেকে তৈরী গুড় ও সজিনা ডাটা দেশের বিভিন্ন এলাকা এমনকি বিদেশে রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কৃষিবিদগণ।তানোরের আদর্শ ও কৃষিতে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত কৃষক নূরমোহাম্মদ (৬০) বলেন, এমপি মহোদয়ের দেখানো পথ অনুসরণ করে সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এলাকার রাস্তার ধারে বাণিজ্যিক ভাবে তাল, খেজুর ও সজিনা চাষ করে হাজার হাজার কৃষক স্বাবলম্বি হতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

এমপি ফারুক চৌধুরীর নেয়া উদ্যোগের সুফল পাচ্ছে তৃণমুল

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:১৮:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ও সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর নেয়া তাল,খেজুর ও সজিনা গাছ রোপণ উদ্যোগের সুফল পাচ্ছে তৃণমুলের মানুষ। জনপ্রতিনিধি পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে বিশেষ অবদানের জন্য মহামান্য রাস্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে থেকে তিনি স্বর্ণ ও রৌপ্য পদক অর্জন করেছেন। তার নির্বাচনী এলাকা
তানোর-গোদাগাড়ী প্রচন্ড খরা ও বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। বিষয়টি বিবেচনা করে তিনি এটা থেকে পরিত্রাণের জন্য গবেষণা শুরু করেন। গবেষণা পরবর্তীতে বৃক্ষপ্রেমী এই সাংসদ নিজ উদ্যোগে নির্বাচনী এলাকায় তাল-খেজুর বীজ রোপণ ও সজিনা চাষের উদ্যোগ নিয়ে প্রায় দুই কোটি তাল-খেজুর বীজ এবং প্রায় পঞ্চাশ হাজার সজিনার গাছ বিতরণ করেন। এ সময় সাংসদের তাল-খেজুর ও সজিনা গাছ রোপণ কর্মসুচি নিয়ে প্রতিপক্ষরা নানা নেতিবাচক সমালোচনা করে। এদিকে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত হয়েছে তাল গাছ বজ্রপাত প্রতিরোধক ও খেজুর ভুর্গস্ত পানি ধরে রাখতে সহায়ক এবং সজিনা গাছ বিষাক্ত সাপ প্রতিরোধী। সুত্র জানায়, যে এলাকায় তাল গাছ রয়েছে সে এলাকায় বজ্রপাত কম এবং যে এলাকায় খেজুর গাছ রয়েছে সে এলাকায় খরা কম ও যে এলাকায় সজিনা গাছ বেশী সে এলাকায় বিষাক্ত সাপের উপদ্রুপ কম হয়। এছাড়াও তাল-খেজুর রস থেকে গুড় ও তালের শস, খেজুর ফল এবং সজিনাডাঁটা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হচ্ছে। আবার সরকারি রাস্তার ধার, খাল-খাড়ি, বসত বাড়ির পতিত জায়গা, ঝোপঝাড়ে এসব গাছ রোপণ করা যায়। ইতিমধ্যে এমপি ফারুক চৌধুরীর দেখানো পথ অনুসরণ করে
প্রতি মৌসুমে অনেক বেকার যুবক তালের শস, খেজুর রস ও সজিনা ডাঁটা বিক্রি করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তানোর-গোদাগাড়ী প্রচন্ডখরাপ্রবণ বরেন্দ্র অঞ্চলের অর্ন্তভুক্ত হওয়ায় এখানে বাণিজ্যিকভাবে তাল, খেজুর ও সজিনা চাষের উজ্জ্বল সম্ভবনা রয়েছে। এসব এলাকার রাস্তা, খাল-খাড়ি, খাস পুকুরের ধারে ও বসত বাড়ির পতিতি জমিতে পরিকল্পনা করে তাল, খেজুর ও সজিনা গাছ রোপণ করে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি কৃষকরা সহজেই অর্থ উপার্জন করতে পারেন। তাল ও খেজুর গাছের রস, খেজুর, তালকুর (কাঁচা তাল) ও সজিনা ডাঁটা বিক্রি করে স্বাবলম্বি হতে পারেন হাজার হাজার বেকার যুবক। এছাড়াও তাল ও খেজুর গাছের ডাল থেকে জ্বালানী, তাল গাছ থেকে ঘরের তীর, পাইড়, ডুঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরণের পণ্য সামগ্রী বানিয়ে এ অঞ্চলের মানুষ ব্যবহার করে থাকে। আবার তাল ও খেজুরের রস থেকে তৈরী গুড় ও সজিনা ডাটা দেশের বিভিন্ন এলাকা এমনকি বিদেশে রপ্তানী করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন কৃষিবিদগণ।তানোরের আদর্শ ও কৃষিতে স্বর্ণপদক প্রাপ্ত কৃষক নূরমোহাম্মদ (৬০) বলেন, এমপি মহোদয়ের দেখানো পথ অনুসরণ করে সরকারি ও বেসরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এলাকার রাস্তার ধারে বাণিজ্যিক ভাবে তাল, খেজুর ও সজিনা চাষ করে হাজার হাজার কৃষক স্বাবলম্বি হতে পারেন।