তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) আলোচিত চেয়ারম্যান ও ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি নাজিমুদ্দিন বাবুর বিরুদ্ধে টেষ্ট রিলিফ (টিআর) প্রকল্পে নয়ছয়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, মাতৃত্বকালীন ভাতা, কর্মসৃজন, প্রতিবন্ধীসহ বিভিন্ন ভাতার তালিকা প্রণয়নে স্বজনপ্রীতি ও অর্থ আদায় করা হচ্ছে। অনেকে বলছে, চেয়ারম্যানের ভাগ্নে শরিফ এখন দ্বিতীয় চেয়ারম্যান হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় অধিবাসী মাহাবুর রহমান ও হাসান আলী অভিযোগ করে বলেন, মাতৃত্বকালীন ও প্রতিবন্ধী ভাতা, কর্মসৃজন কর্মসুচির তালিকা প্রণয়নে মাথা পিছু দুই হাজার টাকা করে আদায় করা হয়েছে। তারা বলেন, এক নারী সদস্যর (মেম্বার) মাধ্যমে শরিফ এসব টাকা আদায় করেছেন। ইউপির কালনা আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দা সুরেশ হেমরম বলেন, সরকারি বাড়ি দেবার কথা বলে
ভুটকো, প্রদিপ, স্যাম, সরেস
আদু, সমশের ও মোজাফ্ফর আলীর কাছে থেকে তালিকা প্রণয়নের নামে এক হাজার ও বাড়ির জায়গা নির্ধারণের নামে ১৫ হাজার টাকা করে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন মহিলা মেম্বারের মাধ্যমে শরিফ এসব টাকা নিয়েছেন। এছাড়াও নারায়নপুর স্কুলে খলিল মেম্বারের মেয়েকে আয়া পদে চাকরি পাইয়ে দেবার কথা বলে তার কাছে থেকে কয়েক দফায় প্রায় তিন লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে আলোচনা রয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে তালন্দ ইউপি চেয়ারম্যান নাজিমুদ্দিন বাবু এসব অবিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা তার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যাচার করছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে শরিফ বলেন, মামা ইউপি চেয়ারম্যান তাই মানুষ তাকে সন্দেহ করতে পারেন, তবে তার এসব বিষয়ে কোনো সম্পৃক্ততা নাই।













