তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজ সেবক, তরুণ নেতৃত্বের আইডল ও রাজশাহী -১ আসনের সংসদের অনুগত নিবেদিতপ্রাণ কর্মী আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজনকে জড়িয়ে মিথ্যা-ভিত্তিহীন, মানহানিকর তথ্য প্রচার করায় রাজশাহী আলো নামের ফেসবুক আইডির বিরুদ্ধে তানোর থানায় সাধারণ ডায়েরী (জিডি) করা হয়েছে। আইডির নাম উল্লেখ করে থানায় জিডি করেছেন উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব রামিল হাসান সুইট। গত শুক্রবার রাতে সুইট বাদি হয়ে জিডি করেন। এদিকে জিডির খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃস্টির পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। সুইট জানান, আমরা সবায় নৌকার কর্মী।সাংসদ আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক। আমাদের অভিভাবক সুজনকে তানোরে রাজনীতিতে নিয়ে এসেছেন এনেছেন সংসদ এবং তিনি বিভিন্ন কর্মসুচিতে সুজন ভাইকে তার ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন।সুজন ভাই এমপির দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করছেন।এসব বিবেচনায় সুজনের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো মানে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ এমপির বিরুদ্ধেই প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর সামিল। সুইট বলেন, রাজনীতিতে নেতৃত্বের প্রতিযোগীতা থাকবে সেটাই স্বাভাবিক, কিন্ত্ত প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে কোনো নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা ছড়ানো অত্যন্ত নিন্দীয, কুরুচিপূর্ণ ও অপ্রকৃতিস্থত্ব মানুষের কাজ যারা সমাজের উচ্ছিষ্ট। তিনি বলেন, আমাদের সবকিছু ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামী নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে কিভাবে বিজয় করানো যায় সেটার দিকে গুরুত্ব দেওয়া সময়ের দাবি। কারন দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে ভোটারদের আক্ষেপ একটু বেশীই থাকে। এবিষয়ে জানতে চাইলে আবুল বাসার সুজন বলেন, তিনি কোনো জনপ্রতিনিধি না, তারপরও প্রতিটি সময় এমপি ফারক চৌধুরী ভাইয়ের নির্দেশে কাজ করছি। তিনি আমাকে রাজনীতিতে এনেছেন, কি করলে ভালো হবে, কার দ্বারা কি কাজ হবে, কাকে কোথায় রাখা যাবে তিনি ভালো জানেন। তিনি বলেন,তাকে জড়িয়ে রাজশাহী আলো নামে ফেসবুক ফেক আইডিতে যা লিখা হয়েছে তা একেবারেই পাগলের প্রলাপ ছাড়া কিছুই না, কারো বিরুদ্ধে কিছু লিখতে হলে যাচাই বাছাই করতে হয়। তিনি বরেন, জিডি করা হয়েছে, আর অনুরোধ করবো যারা এসব লিখছেন তারা যেন সঠিক বিষয় নিয়ে লিখেন জনগণ সাধুবাদ জানাবে। এ বিষয়েথানার অফিসার ইনচার্জ ওসি কামরুজ্জামান মিয়া জানান, এটা ফেক আইডি, আমরা তদন্ত করে দেখছি কিছু পাওয়া যায় কি না।













