এখন ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে অনিয়মের তদন্ত শুরু

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নে (ইউপি) আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে টাকা আদায় অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ঘটনা ধাঁমাচাঁপা দিয়ে ভিন্নখাতে প্রভাবিত ও তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে নিতে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বিভিন্ন মহলে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেছেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের ২২ জুলাই ভুক্তভোগী ইউপির চাঁদপুর গ্রামের মৃত কুকরা শাহের পুত্র ময়েজ উদ্দিন (৭২) বাদি হয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের(ডিসি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য সাদেকুল ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে
গৃহ এবং ভুমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে চেয়ারম্যান ও মেম্বার উপকারভোগীর কাছে থেকে টাকা আদায় করেছেন। এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছেন। সচেতন মহলের ভাষ্য, আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম বা টাকা আদায়ে যদি সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাহলে চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে কেনো শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না ? তার খুটির জোর কোথায় ?
এবিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা প্রশাসক(ডিসি) আব্দুল জলিল বলেন, অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউএনও সাহেবকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, কোনো অনিয়মের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নাই,প্রতিপক্ষরা তাকে সমাজে হেওপ্রতিপন্ন করতে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে অনিয়মের তদন্ত শুরু

প্রকাশিত হয়েছে: ০১:১১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোরের পাঁচন্দর ইউনিয়নে (ইউপি) আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে টাকা আদায় অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ঘটনা ধাঁমাচাঁপা দিয়ে ভিন্নখাতে প্রভাবিত ও তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে নিতে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বিভিন্ন মহলে দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেছেন।
জানা গেছে, চলতি বছরের ২২ জুলাই ভুক্তভোগী ইউপির চাঁদপুর গ্রামের মৃত কুকরা শাহের পুত্র ময়েজ উদ্দিন (৭২) বাদি হয়ে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের(ডিসি) কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য সাদেকুল ইসলামকে বিবাদী করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে
গৃহ এবং ভুমিহীনদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহার আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর বরাদ্দে চেয়ারম্যান ও মেম্বার উপকারভোগীর কাছে থেকে টাকা আদায় করেছেন। এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজশাহী জেলা প্রশাসক (ডিসি) ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) নির্দেশ দিয়েছেন। সচেতন মহলের ভাষ্য, আশ্রায়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম বা টাকা আদায়ে যদি সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। তাহলে চেয়ারম্যান আব্দুল মতিনের বিরুদ্ধে কেনো শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না ? তার খুটির জোর কোথায় ?
এবিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা প্রশাসক(ডিসি) আব্দুল জলিল বলেন, অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইউএনও সাহেবকে চিঠি দেয়া হয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পঙ্কজ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন বলেন, কোনো অনিয়মের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নাই,প্রতিপক্ষরা তাকে সমাজে হেওপ্রতিপন্ন করতে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছে।