এখন ০৪:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমপির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন হেতু কি?

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ গত ১৬ জুলাই শনিবার রাজশাহী নগরীর লক্ষীপুর সংবাদ
সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ী ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ সেলিম রেজা মারধরের শিকার হয়েছেন ও সেদিনের ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার সঙ্গে কথোপোকথন করেছেন দাবি করে সেটির অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের শোনান। এখন প্রশ্ন হলো এমপি ও অধ্যক্ষের মধ্যে যাই হোক তারা নিজেরাই নিস্পত্তি করে নিয়েছেন। এমনকি সেই অধ্যক্ষ নিজেই যখন এই অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। যখন বাদি-বিবাদী উভয়ের কোনো অভিযোগ নাই তখন অতিউৎসাহী ও তৃতীয় পক্ষ হয়ে আসাদ কেনো অভিযোগ সত্য প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি তো সরাসরি ফারুক চৌধুরী এমপির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তাহলে এমপির বিরুদ্ধে করা তার সংবাদ সম্মেলন আমজনতা কি চোখে দেখছেন বা গ্রহণ করছেন ? তার দাবি তিনি দলের স্বার্থে এটা করছেন যা ডাহা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এমপিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি দলের কি উপকার করছেন। তিনি তো জেলা, মহানগর বা উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কোনো নেতা নন। যেখানে, জেলা,মহানগর বা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো বক্তব্য নাই, সেখানে তিনি কি পুরো আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়েছেন এটা কি বিশ্বাসযোগ্য ?
এদিকে কথিত সংবাদ সম্মেলনের খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্রক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে উঠেছে সমালোচনার ঝড়, দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।
অপরদিকে ২৩ জুলাই শনিবার তানোর উপজেলা শিক্ষক সমিতি তানোর থানার মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে এমপির বিরুদ্ধে করা সংবাদ সম্মেলন এবং তাকে জড়িয়ে মানহানিকর, মিথ্যা-বানোয়াট খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এতেই প্রমাণ হয় ঘটনা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মিথ্যা। কারণ বিতর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেয় রাজাবাড়ী কলেজ অধ্যক্ষ মিথ্যা বলছে, তবে তার জন্য তার কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী মিথ্যা বলতে পারেন, কখানোই পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ মিথ্যা বলবে না। যেখানে পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ এমপির বিরুদ্ধে উঙ্খাপিত অভিযোগ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বলে দাবি করছে, সেখানে আসাদুজ্জামান আসাদ কি বিবেচনায় সংবাদ সম্মেলন ডেকে এটাকে সত্য বলে দাবি করেছেন।
আবার আওয়ামী লীগের নেতা আওয়ামী লীগ দলীয় কোনো সাংসদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিতে পারেন কি না সেটি একটি বড় প্রশ্ন, কারণ দলীয় সাংসদ কোনো অনিয়ম করলে দলের নীতিনির্ধারক মহলে তার বিরুদ্ধে নালিশ বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
করা যায়, কিন্ত্ত সুনিদ্রিষ্ট তথ্য-উপাত্ত ব্যতিত সাংসদের ভাবমুর্তিক্ষুন্ন হয় এমন বক্তব্য দেয়া যায় না। কারণ সাংসদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দল, নেতা ও নেতৃত্বের ভাবমুর্তি, যদি সেটা হয় তাহলে আসাদ কার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করলেন এই প্রশ্ন উঠাই স্বাভাবিক। এদিকে আর ডিজিটাল যুগে যেকারো কন্ঠ নকল করে অডিও কথোপকথন করা যায়, যে কারণে আদালতে অডিও কথোপকথন গ্রহণযোগ্য নয়।এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে
এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিভিন্ন অনিয়ম-অসঙ্গতি তুলে ধরেন। এগুলোর মধ্যে প্রথম অভিযোগ, অর্থআত্নসাৎ, কিন্ত্ত এটা ডাহা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কারণ কিভাবে কার কাছে থেকে কত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তার কোনো ব্যাক্ষা নাই, অথচ সুনির্দিষ্ট ও লিখিত তথ্য প্রমাণ ব্যতিত একজন সাংসদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করা এক ধরনের অপরাধ। দ্বিতীয় অভিযোগ খাসজমি ইজারায় দুর্নীতি, এটা হাস্যকর খাস জমি ইজারা এমপিরা দেয় না, আর কোথায় কার কাছে এমপি খাস জমি ইজারা দিয়ে দুর্নীতি করলেন তার সুনিদ্রিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হোক সেটা কি তার কাছে আছে ? তৃতীয় অভিযোগ, স্কুল-কলেজ মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি এবং জামায়াত-বিএনপির ব্যক্তিদের নিয়োগ এটা সম্পুর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। কারণ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের বিষয়টি সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির এখানে এমপির নাম আসছে কেনো, কেউ কি বলতে পারবেন চাকরি দিয়ে এমপি কারো কাছে থেকে কোনো টাকা-পয়সা নিয়েছেন। অথচ এমপি ফারুক বিনা পয়সায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-পুলিশের এসআই থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্কুলের দপ্তরি হিসেবে অসংখ্য মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। যার মধ্যে অন্যতম ধানতৈড় গ্রামের আব্দুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিল্লী গ্রামের আদিবাসি পুর্নিমা পুলিশ সদস্য, গোল্লাপাড়া গ্রামের বোরজাহান হোসেন ধলু পুলিশের এসআই, সরনজাই গ্রামের ইকবাল হোসেন সহকারী শিক্ষক, চাপড়া গ্রামের মনোয়ার হোসেন মুংলা প্রাথমিক বিদ্যালেয়র দপ্তরি, আমশো গ্রামের মাহাবুর, সরনজাই গ্রামের বাবু এরকম অসংখ্য উদাহারণ রয়েছে। এছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় চাকরির মেলা করে বিনা পয়সায় হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যেটা নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি মানুষ জানেন। তাছাড়া শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে যদি তার বাণিজ্যে করার ইচ্ছে থাকতো তাহলে তিনি কাশিম বাজার সরকারী পলিটেকনিক কলেজ নির্মাণের জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা মুল্যর ব্যক্তিগত সম্পদ(জমি) সেচ্ছায় দান করতেন না।আসাদের সংবাদ সম্মেলন আরো বলা হয়েছে এমপি নৌকায় ভোট দেয় না কি আজব কাহিনী চারবার দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েও তিনি নৌকায় ভোট দেন না, তাহলে এই অভিযোগ তিনি কার বিরুদ্ধে করলেন, এই অভিযোগ তো প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই করা হলো, কারণ তিনি বার বার তাকে নৌকার টিকিট দিয়ে আসছেন। তাহলে হয় প্রধানমন্ত্রী ভুল করেছেন নয় আসাদ মিথ্যাচার করেছেন। এছাড়াও এমপির বিরুদ্ধে ২০ ধরনের দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে দুদক।
রাজনৈতিক বিশ্লষক মহলের ভাষ্য, একজন এমপির বিরুদ্ধে ২০ ধরণের কেনো ১০০ ধরণের দুর্নীতির তদন্ত হতে পারে। বরং এটাতো ভাল খবর একজন এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে তার মানে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে তায় নয় কি ?
কিন্ত্ত তদন্ত হওয়া আর দুনীতি করা এক বিষয়।আদালতে দুর্নীতি প্রমাণ না হলে কি একজন মানুষকে দুর্নীতিবাজ বলা যায়। তাহলে আসাদুজ্জামান আসাদ এই সংবাদ সম্মেলন কার বিরুদ্ধে করলেন এবং দেশবাসীকে তিনি কি ম্যাসেজ দিলেন?

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

এমপির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন হেতু কি?

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ জুলাই ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ গত ১৬ জুলাই শনিবার রাজশাহী নগরীর লক্ষীপুর সংবাদ
সম্মেলন করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ী ডিগ্রী কলেজ অধ্যক্ষ সেলিম রেজা মারধরের শিকার হয়েছেন ও সেদিনের ঘটনার বিবরণ তুলে ধরে জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতার সঙ্গে কথোপোকথন করেছেন দাবি করে সেটির অডিও রেকর্ড সাংবাদিকদের শোনান। এখন প্রশ্ন হলো এমপি ও অধ্যক্ষের মধ্যে যাই হোক তারা নিজেরাই নিস্পত্তি করে নিয়েছেন। এমনকি সেই অধ্যক্ষ নিজেই যখন এই অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করেছেন। যখন বাদি-বিবাদী উভয়ের কোনো অভিযোগ নাই তখন অতিউৎসাহী ও তৃতীয় পক্ষ হয়ে আসাদ কেনো অভিযোগ সত্য প্রমাণে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। তিনি তো সরাসরি ফারুক চৌধুরী এমপির রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তাহলে এমপির বিরুদ্ধে করা তার সংবাদ সম্মেলন আমজনতা কি চোখে দেখছেন বা গ্রহণ করছেন ? তার দাবি তিনি দলের স্বার্থে এটা করছেন যা ডাহা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন এমপিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে তিনি দলের কি উপকার করছেন। তিনি তো জেলা, মহানগর বা উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীল কোনো নেতা নন। যেখানে, জেলা,মহানগর বা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোনো বক্তব্য নাই, সেখানে তিনি কি পুরো আওয়ামী লীগের দায়িত্ব নিয়েছেন এটা কি বিশ্বাসযোগ্য ?
এদিকে কথিত সংবাদ সম্মেলনের খবর ছড়িয়ে পড়লে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্রক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে উঠেছে সমালোচনার ঝড়, দেখা দিয়েছে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া।
অপরদিকে ২৩ জুলাই শনিবার তানোর উপজেলা শিক্ষক সমিতি তানোর থানার মোড়ে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে এমপির বিরুদ্ধে করা সংবাদ সম্মেলন এবং তাকে জড়িয়ে মানহানিকর, মিথ্যা-বানোয়াট খবর প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।এতেই প্রমাণ হয় ঘটনা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত ও মিথ্যা। কারণ বিতর্কের খাতিরে যদি ধরেই নেয় রাজাবাড়ী কলেজ অধ্যক্ষ মিথ্যা বলছে, তবে তার জন্য তার কলেজের শিক্ষক-কর্মচারী মিথ্যা বলতে পারেন, কখানোই পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ মিথ্যা বলবে না। যেখানে পুরো এলাকার শিক্ষক সমাজ এমপির বিরুদ্ধে উঙ্খাপিত অভিযোগ মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত বলে দাবি করছে, সেখানে আসাদুজ্জামান আসাদ কি বিবেচনায় সংবাদ সম্মেলন ডেকে এটাকে সত্য বলে দাবি করেছেন।
আবার আওয়ামী লীগের নেতা আওয়ামী লীগ দলীয় কোনো সাংসদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে মানহানিকর ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিতে পারেন কি না সেটি একটি বড় প্রশ্ন, কারণ দলীয় সাংসদ কোনো অনিয়ম করলে দলের নীতিনির্ধারক মহলে তার বিরুদ্ধে নালিশ বা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি
করা যায়, কিন্ত্ত সুনিদ্রিষ্ট তথ্য-উপাত্ত ব্যতিত সাংসদের ভাবমুর্তিক্ষুন্ন হয় এমন বক্তব্য দেয়া যায় না। কারণ সাংসদের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দল, নেতা ও নেতৃত্বের ভাবমুর্তি, যদি সেটা হয় তাহলে আসাদ কার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করলেন এই প্রশ্ন উঠাই স্বাভাবিক। এদিকে আর ডিজিটাল যুগে যেকারো কন্ঠ নকল করে অডিও কথোপকথন করা যায়, যে কারণে আদালতে অডিও কথোপকথন গ্রহণযোগ্য নয়।এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে
এমপি ওমর ফারুক চৌধুরীর বিভিন্ন অনিয়ম-অসঙ্গতি তুলে ধরেন। এগুলোর মধ্যে প্রথম অভিযোগ, অর্থআত্নসাৎ, কিন্ত্ত এটা ডাহা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কারণ কিভাবে কার কাছে থেকে কত অর্থ আত্মসাৎ করেছেন তার কোনো ব্যাক্ষা নাই, অথচ সুনির্দিষ্ট ও লিখিত তথ্য প্রমাণ ব্যতিত একজন সাংসদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করা এক ধরনের অপরাধ। দ্বিতীয় অভিযোগ খাসজমি ইজারায় দুর্নীতি, এটা হাস্যকর খাস জমি ইজারা এমপিরা দেয় না, আর কোথায় কার কাছে এমপি খাস জমি ইজারা দিয়ে দুর্নীতি করলেন তার সুনিদ্রিষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হোক সেটা কি তার কাছে আছে ? তৃতীয় অভিযোগ, স্কুল-কলেজ মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি এবং জামায়াত-বিএনপির ব্যক্তিদের নিয়োগ এটা সম্পুর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত। কারণ শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগের বিষয়টি সংশ্লিস্ট প্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির এখানে এমপির নাম আসছে কেনো, কেউ কি বলতে পারবেন চাকরি দিয়ে এমপি কারো কাছে থেকে কোনো টাকা-পয়সা নিয়েছেন। অথচ এমপি ফারুক বিনা পয়সায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-পুলিশের এসআই থেকে শুরু করে প্রাথমিক স্কুলের দপ্তরি হিসেবে অসংখ্য মানুষকে চাকরি দিয়েছেন। যার মধ্যে অন্যতম ধানতৈড় গ্রামের আব্দুল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বিল্লী গ্রামের আদিবাসি পুর্নিমা পুলিশ সদস্য, গোল্লাপাড়া গ্রামের বোরজাহান হোসেন ধলু পুলিশের এসআই, সরনজাই গ্রামের ইকবাল হোসেন সহকারী শিক্ষক, চাপড়া গ্রামের মনোয়ার হোসেন মুংলা প্রাথমিক বিদ্যালেয়র দপ্তরি, আমশো গ্রামের মাহাবুর, সরনজাই গ্রামের বাবু এরকম অসংখ্য উদাহারণ রয়েছে। এছাড়াও নির্বাচনী এলাকায় চাকরির মেলা করে বিনা পয়সায় হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন যেটা নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি মানুষ জানেন। তাছাড়া শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে যদি তার বাণিজ্যে করার ইচ্ছে থাকতো তাহলে তিনি কাশিম বাজার সরকারী পলিটেকনিক কলেজ নির্মাণের জন্য প্রায় ১০ কোটি টাকা মুল্যর ব্যক্তিগত সম্পদ(জমি) সেচ্ছায় দান করতেন না।আসাদের সংবাদ সম্মেলন আরো বলা হয়েছে এমপি নৌকায় ভোট দেয় না কি আজব কাহিনী চারবার দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনবার এমপি নির্বাচিত হয়েও তিনি নৌকায় ভোট দেন না, তাহলে এই অভিযোগ তিনি কার বিরুদ্ধে করলেন, এই অভিযোগ তো প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেই করা হলো, কারণ তিনি বার বার তাকে নৌকার টিকিট দিয়ে আসছেন। তাহলে হয় প্রধানমন্ত্রী ভুল করেছেন নয় আসাদ মিথ্যাচার করেছেন। এছাড়াও এমপির বিরুদ্ধে ২০ ধরনের দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে দুদক।
রাজনৈতিক বিশ্লষক মহলের ভাষ্য, একজন এমপির বিরুদ্ধে ২০ ধরণের কেনো ১০০ ধরণের দুর্নীতির তদন্ত হতে পারে। বরং এটাতো ভাল খবর একজন এমপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে তার মানে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে তায় নয় কি ?
কিন্ত্ত তদন্ত হওয়া আর দুনীতি করা এক বিষয়।আদালতে দুর্নীতি প্রমাণ না হলে কি একজন মানুষকে দুর্নীতিবাজ বলা যায়। তাহলে আসাদুজ্জামান আসাদ এই সংবাদ সম্মেলন কার বিরুদ্ধে করলেন এবং দেশবাসীকে তিনি কি ম্যাসেজ দিলেন?