এখন ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল আরামবাগে হত্যা না আত্মহত্যা

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল আরামবাগ এলাকায় আলতাফ বেপারী এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া হৃদয় চন্দ্র এর স্ত্রী ঝর্না রানী রায় এর মরদেহ উদ্ধার করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের এস আই মোঃ আঃ ওহাব।

ঘটনার সুত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে গত কয়েকদিন যাবৎ তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। ঘটনার বিবরণে ঝর্না রানী রায় এর বড় জা জানায়, তারা ঝর্নাকে গভীর রাতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেতে পাওয়ার পর সে এবং ঝর্না রানী রায় এর স্বামী (হৃদয় চন্দ্র রায়) মিলে মৃতদেহ নিচে নামায়, মৃতদেহ নামানোর পরে তারা আশেপাশের লোকজন ডাকে।

ঘটনার সময় বাসায় ছিল মৃত ঝর্না রানী রায়, তার স্বামী এবং বড় জা। ঐসময় মৃত ঝর্না রানী রায় এর ভাসুর বিদু চন্দ্র রায় (হৃদয়ের বড় ভাই) নাইট ডিউটিতে ছিল।

হৃদয়ের বড় ভাই বিদু চন্দ্র রায় খবর পেয়ে ডিউটি থেকে এসে কাউকে না জানিয়ে এম্বুলেন্স এনে তাদের গ্রামের বাড়ীতে গাইবান্ধায় লাশ নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় লোকজন মৃত্যুর কারণ জানতে চায় এবং মৃতদেহ না নেওয়ার জন্য বলে। অবস্থা বেগতিক দেখে হৃদয়ের বড় ভাই বিদু চন্দ্র রায় থানায় যোগাযোগ করে কর্তব্যরত কর্মকর্তাকে জানায়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে পুলিশের কয়েকজন কনস্টেবল সহ এস আই মোঃ আঃ ওহাব এর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশের পক্ষ হতে পুলিশের সাথে থাকা একজন মহিলা এবং মৃত ঝর্না রানী রায়ের একজন মহিলা আত্মীয় দিয়ে লাশ পরীক্ষা করে দেখে যে, লাশের গলার একপাশে একটি আঘাতের চিহ্ন ছাড়া আর কোন চিহ্ন নেই, এস আই মোঃ আঃ ওহাব উপস্থিত সবাইকে বলেন, আমরা যা দেখেছি তা নোটকরে নিয়েছি, পাশাপাশি যে ওড়নাটি দিয়ে ফাঁশির কথা বলা হয়েছে সে ওড়নাটি জব্দ করে নিয়েছেন বলেও যানান। উল্লেখ মৃত ঝর্না রানী রায় এক বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
এবিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং মরদেহ পোস্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল আরামবাগে হত্যা না আত্মহত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই ২০২২

বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন গোদনাইল আরামবাগ এলাকায় আলতাফ বেপারী এর বাড়ীর ভাড়াটিয়া হৃদয় চন্দ্র এর স্ত্রী ঝর্না রানী রায় এর মরদেহ উদ্ধার করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের এস আই মোঃ আঃ ওহাব।

ঘটনার সুত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে গত কয়েকদিন যাবৎ তাদের মধ্যে মনোমালিন্য চলছিল। ঘটনার বিবরণে ঝর্না রানী রায় এর বড় জা জানায়, তারা ঝর্নাকে গভীর রাতে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেতে পাওয়ার পর সে এবং ঝর্না রানী রায় এর স্বামী (হৃদয় চন্দ্র রায়) মিলে মৃতদেহ নিচে নামায়, মৃতদেহ নামানোর পরে তারা আশেপাশের লোকজন ডাকে।

ঘটনার সময় বাসায় ছিল মৃত ঝর্না রানী রায়, তার স্বামী এবং বড় জা। ঐসময় মৃত ঝর্না রানী রায় এর ভাসুর বিদু চন্দ্র রায় (হৃদয়ের বড় ভাই) নাইট ডিউটিতে ছিল।

হৃদয়ের বড় ভাই বিদু চন্দ্র রায় খবর পেয়ে ডিউটি থেকে এসে কাউকে না জানিয়ে এম্বুলেন্স এনে তাদের গ্রামের বাড়ীতে গাইবান্ধায় লাশ নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় লোকজন মৃত্যুর কারণ জানতে চায় এবং মৃতদেহ না নেওয়ার জন্য বলে। অবস্থা বেগতিক দেখে হৃদয়ের বড় ভাই বিদু চন্দ্র রায় থানায় যোগাযোগ করে কর্তব্যরত কর্মকর্তাকে জানায়। সিদ্ধিরগঞ্জ থানা থেকে পুলিশের কয়েকজন কনস্টেবল সহ এস আই মোঃ আঃ ওহাব এর নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে এসে পুলিশের পক্ষ হতে পুলিশের সাথে থাকা একজন মহিলা এবং মৃত ঝর্না রানী রায়ের একজন মহিলা আত্মীয় দিয়ে লাশ পরীক্ষা করে দেখে যে, লাশের গলার একপাশে একটি আঘাতের চিহ্ন ছাড়া আর কোন চিহ্ন নেই, এস আই মোঃ আঃ ওহাব উপস্থিত সবাইকে বলেন, আমরা যা দেখেছি তা নোটকরে নিয়েছি, পাশাপাশি যে ওড়নাটি দিয়ে ফাঁশির কথা বলা হয়েছে সে ওড়নাটি জব্দ করে নিয়েছেন বলেও যানান। উল্লেখ মৃত ঝর্না রানী রায় এক বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।
এবিষয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে এবং মরদেহ পোস্টমর্টেম রিপোর্টের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।