এখন ০৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্যান্সারে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রধান মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ অর্থাভাবে চিকিৎসা খরচ চালাতে পারছেন না ক্যান্সারে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল ইসলাম।
তিনি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ বানিয়াপাড়া এলাকার মোঃ বছির উদ্দিনের ছেলে।
হামিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন অসুস্থ্যতায় ভুগলেও দুই মাস আগে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে।
এই রোগের চিকিৎসা খরচ মেটানো অসম্ভব হয়েছে তার।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল ইসলামের বড় জামাতা আব্দুর রহিম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ্য ছিলেন। খেতে না পারা, জ¦র, পেট ব্যথার চিকিৎসা চলাকালে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে।
শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ২০হাজার টাকা ছাড়া আর কোন আর্থিক সুবিধা নেই তার। এ মুুহুর্ত্বে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁিড়য়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল ইসলাম জানান, আমি ভুমিহীন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাকে সরকারী বাড়ি করে দিয়েছেন। ২০ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছি। আমি অসুস্থ্য, আমি বাঁচতে চাই। সুচিকিৎসা জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সহযোগীতা চাই।
হামিদুল ইসলামের বড় জামাতা কারিমুল ইসলাম, ক্যান্সারের চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল। এর ব্যয়ভার চালানো আমাদের পক্ষে চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
জানতে চাইলে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ও জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত হামিদুল ইসলাম মহান মুক্তিযুদ্ধে ছয় নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ক্যান্সারে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসা সহায়তার জন্য প্রধান মন্ত্রীর কাছে অনুরোধ

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:২৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ জুলাই ২০২২

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ অর্থাভাবে চিকিৎসা খরচ চালাতে পারছেন না ক্যান্সারে আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল ইসলাম।
তিনি নীলফামারীর ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি ইউনিয়নের গোসাইগঞ্জ বানিয়াপাড়া এলাকার মোঃ বছির উদ্দিনের ছেলে।
হামিদুল ইসলাম দীর্ঘদিন অসুস্থ্যতায় ভুগলেও দুই মাস আগে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে।
এই রোগের চিকিৎসা খরচ মেটানো অসম্ভব হয়েছে তার।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল ইসলামের বড় জামাতা আব্দুর রহিম জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ্য ছিলেন। খেতে না পারা, জ¦র, পেট ব্যথার চিকিৎসা চলাকালে তার ক্যান্সার ধরা পড়ে।
শুধুমাত্র মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ২০হাজার টাকা ছাড়া আর কোন আর্থিক সুবিধা নেই তার। এ মুুহুর্ত্বে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁিড়য়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল ইসলাম জানান, আমি ভুমিহীন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা আমাকে সরকারী বাড়ি করে দিয়েছেন। ২০ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছি। আমি অসুস্থ্য, আমি বাঁচতে চাই। সুচিকিৎসা জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সহযোগীতা চাই।
হামিদুল ইসলামের বড় জামাতা কারিমুল ইসলাম, ক্যান্সারের চিকিৎসা অত্যন্ত জটিল। এর ব্যয়ভার চালানো আমাদের পক্ষে চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
জানতে চাইলে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ও জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিলো না। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত হামিদুল ইসলাম মহান মুক্তিযুদ্ধে ছয় নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন।