শফিকুল ইসলাম রনি, ব্রাক্ষণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকদের যাতায়াত অব্যাহত রয়েছে। গত বুধবার পর্যন্ত ২৩ দিনে ৭০৮ জন বাংলাদেশে ফিরেছেন। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পর্যাপ্ত পরিমান কোয়ারেন্টিন ব্যাবস্থা না থাকায় ভারত থেকে ফিরে আসা বাংলাদেশিদের কুমিল্লায় কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হচ্ছে। স্থলবন্দর স‚ত্রে জানা গেছে, গত দুই দিনে স্থলবন্দর দিয়ে আসা ৯৮ বাংলাদেশিকে কুমিল্লায় কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। গত ২৬ মার্চ থেকে বুধবার পর্যন্ত ২৪ দিনে দুই দেশের ৭৯৭ জন বাংলাদেশে ফিরেছেন। জানা গেছে, বর্তমানে ৩৩৩ জন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। বুধবার পর্যন্ত ফেরা ৮৯ জনের মধ্যে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিভিন্ন দূতাবাসে কর্মরত ১৭ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। তাঁদের ঢাকায় কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। বাকি ১০ জনকে আখাউড়ার নাইন স্টার হোটেল এবং ৬২ জনকে কুমিল্লায় কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার আসা ৩৬ জন বাংলাদেশিকে কুমিল্লায় পাঠানো হয়। বুধবার নতুন করে আরও ৬৩ জনকে কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন প‚র্ণ করায় বুধবার পর্যন্ত ১৮৭ জনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। দুই দেশে আটকা পড়া যাত্রীরা উভয় দেশে নিযুক্ত হাইকমিশনারের অনুমতি এবং দুই দেশের সরকারের কিছু নির্দেশনা অনুসরণ করে যাতায়াত করছেন। জানা গেছে, ভারত থেকে ফেরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাতটি আবাসিক হোটেল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল, বিজয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন এবং জেলার বেসরকারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়। আখাউড়া ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ আবদুল হামিদ জানান, মঙ্গলবার ৮৯ জন বাংলাদেশে এবং ২১ জন ভারতে ফিরেছেন। আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ন‚র-এ আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করে জানান, আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাতটি আবাসিক হোটেলসহ নয়টি প্রতিষ্ঠানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। তবে জেলায় বর্তমানে আর কোনো আবাসিক হোটেল না থাকাই স্থলবন্দর দিয়ে নতুন করে আসা যাত্রীদের কোয়ারেন্টিনে রাখার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কুমিল্লায় পাঠানো হচ্ছে।













