এখন ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পবার হুজুরীপাড়া ইউনিয়নে মরিচ চাষে ঝুঁকেছে চাষিরা

জাকির হোসেন, পবা (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ পবার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নে অল্প সময়ে বাড়তি লাভের আশায় মরিচ চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছে এলাকার কৃষকরা। মরিচ চাষ লাভজনক হওয়ায় এলাকায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মরিচ চাষ।এখানকার মরিচের গুণগত মান ভাল হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েদেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। মরিচ চাষ করে একদিকে কৃষকরা যেমন আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে অন্যদিকে দেশের মরিচের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররাএসে এখানকার কাঁচা মরিচ কিনে নিয়ে যায়।ব্যবসা ভাল হওয়ায় মরিচ চাষে জড়িত কৃষকরা বেশ খুস মেজাজে রয়েছে। অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় মরিচ ব্যবসা প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নীরবে রেখে যাচ্ছে অবদান। সরকারী উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে স্বল্প আয়ের গ্রাম পর্যায়ের কৃষকরা আরোও প্রসার ঘটিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে বলে তারা জানান। সপ্তাহের প্রতিদিন দারুশা বাজারে মরিচের হাট বসে। হাটের দিন সকালে এলাকার উৎপাদিত কাঁচা মরিজ গুলো কৃষকরা প্রতি কেজি ৯০টাকা থেকে ১০০টাকা দরে পাইকারী ভাবে বিক্রি করছে।এখান থেকে পাইকাররা রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানী করছে। জানা যায়, ইউনিয়নের, ঘীপাড়া,ধর্মহাটা, দেবের পাড়া, সাইরপুকুর,কবিরাজপাড়া,শিশাপাড়া সহ বেশ কিছু মাঠে কৃষকরা মরিচের চাষ করছে। কৃষকরা বোরো মৌসুমে তাদের জমিতে ধান চাষ কিছুটা কমিয়ে দিয়ে মরিচ চাষ করে। অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় এলাকার কৃষকরা মরিচ চাষে দিন দিন আগ্রহ হয়ে উঠছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের গাছ গুলোতে পোকা বা ছত্রাক আক্রমণ করতে পারেনি। তাই মরিচের গাছ গুলো এখনো সতেজ আছে।বিশেষ করে মরিচের অধিকফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় মরিচ চাষিরা লাভবান হচ্ছে। ইউনিয়নের আফি নেপাল পাড়া গ্রামের মরিচ চাষি আফসার আলী জানান, বিঘা প্রতি প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হলেও ইতোমধ্যে আমার ১ বিঘা জমি থেকে এ পর্যন্ত ৬০ হাজার হাজার টাকার মরিচ বিক্রয় করেছি। বাজার দর ঠিক থাকলে আরো কমপক্ষে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রয় হবে। আমার দেখা-দেখি প্রতিবেশী কৃষকরাও মরিচ চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছে।এ বিষয়ে ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা হাজি মোঃরবিউল ইসলাম জানান, ইউনিয়নে এ বছর ২০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। মরিচের ফলন ভাল ও বাজার দর বেশি পাওয়ায় কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি মরিচ চাষের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

পবার হুজুরীপাড়া ইউনিয়নে মরিচ চাষে ঝুঁকেছে চাষিরা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:১৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জুলাই ২০২২

জাকির হোসেন, পবা (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ পবার হুজুরিপাড়া ইউনিয়নে অল্প সময়ে বাড়তি লাভের আশায় মরিচ চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছে এলাকার কৃষকরা। মরিচ চাষ লাভজনক হওয়ায় এলাকায় দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে মরিচ চাষ।এখানকার মরিচের গুণগত মান ভাল হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েদেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। মরিচ চাষ করে একদিকে কৃষকরা যেমন আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছে অন্যদিকে দেশের মরিচের চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকাররাএসে এখানকার কাঁচা মরিচ কিনে নিয়ে যায়।ব্যবসা ভাল হওয়ায় মরিচ চাষে জড়িত কৃষকরা বেশ খুস মেজাজে রয়েছে। অল্প পুঁজিতে বেশি লাভ হওয়ায় মরিচ ব্যবসা প্রান্তিক পর্যায়ে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নীরবে রেখে যাচ্ছে অবদান। সরকারী উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে স্বল্প আয়ের গ্রাম পর্যায়ের কৃষকরা আরোও প্রসার ঘটিয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারবে বলে তারা জানান। সপ্তাহের প্রতিদিন দারুশা বাজারে মরিচের হাট বসে। হাটের দিন সকালে এলাকার উৎপাদিত কাঁচা মরিজ গুলো কৃষকরা প্রতি কেজি ৯০টাকা থেকে ১০০টাকা দরে পাইকারী ভাবে বিক্রি করছে।এখান থেকে পাইকাররা রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানী করছে। জানা যায়, ইউনিয়নের, ঘীপাড়া,ধর্মহাটা, দেবের পাড়া, সাইরপুকুর,কবিরাজপাড়া,শিশাপাড়া সহ বেশ কিছু মাঠে কৃষকরা মরিচের চাষ করছে। কৃষকরা বোরো মৌসুমে তাদের জমিতে ধান চাষ কিছুটা কমিয়ে দিয়ে মরিচ চাষ করে। অল্প খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় এলাকার কৃষকরা মরিচ চাষে দিন দিন আগ্রহ হয়ে উঠছে। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের গাছ গুলোতে পোকা বা ছত্রাক আক্রমণ করতে পারেনি। তাই মরিচের গাছ গুলো এখনো সতেজ আছে।বিশেষ করে মরিচের অধিকফলন ও দাম বেশি পাওয়ায় মরিচ চাষিরা লাভবান হচ্ছে। ইউনিয়নের আফি নেপাল পাড়া গ্রামের মরিচ চাষি আফসার আলী জানান, বিঘা প্রতি প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা খরচ হলেও ইতোমধ্যে আমার ১ বিঘা জমি থেকে এ পর্যন্ত ৬০ হাজার হাজার টাকার মরিচ বিক্রয় করেছি। বাজার দর ঠিক থাকলে আরো কমপক্ষে প্রায় ৩০ হাজার টাকার মরিচ বিক্রয় হবে। আমার দেখা-দেখি প্রতিবেশী কৃষকরাও মরিচ চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছে।এ বিষয়ে ইউনিয়ন কৃষি কর্মকর্তা হাজি মোঃরবিউল ইসলাম জানান, ইউনিয়নে এ বছর ২০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। মরিচের ফলন ভাল ও বাজার দর বেশি পাওয়ায় কৃষকরা অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি মরিচ চাষের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।