এখন ০৪:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের বারবাজার জমে উঠেছে কোরবানির গরু ও ছাগলের  হাট

মোঃআবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঈদ মানে আনন্দ  ঈদ মানে খুশি কোরবানির আর মাত্র ঈদের ৪ থেকে ৫ দিন সামনে রেখে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা বারবাজার পশুর হাটে জমজমাট বেচাকেনা শুরু হয়ে হয়েছে। ঈদের সময় ঘনিয়ে আসতে আসতে জমজমাট জমে উটে বারবাজার পশুর হাটে। 

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা বারবাজার  বিভিন্ন যায়গা  থেকে ট্রাক, পিকাপ, নছিমন, করিমন, ভ্যান ভর্তি করে আসছে গরু-ও ছাগল। ব্যস্ততা বেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

কালীগঞ্জ উপজেলার বার বাজার পশু হাট, বারবাজার পশুর হাটে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় মঙ্গলবার  ভোর থেকে ঝিনাইদহ  জেলা ও অনন্য জেলা থেকে গরু, মহিষ,ছাগল, ভেরা ইত্যাদি আসতে শুরু করে। এই সব হাটে বিভিন্ন জায়গা থেকে পশু এসে কানায় কানায় বারবাজার হাটে পূর্ণ হয়ে যায়।

 হাটে বিভিন্ন সাইজের প্রচুর গরু উঠলেও দাম বেশি হওয়ায় বেশির ভাগ ক্রেতার চাহিদা মাঝারি ও ছোট আকৃতির গরু।

কোরবানি পশু কিনতে আসা বরিশাল জেলার সবুর আলী   ব‍্যাপারি বলেন, অধিকাংশ বিক্রেতাই গরুর দাম অনেক বেশি হাঁকাছেন। গত বছর যে সাইজের গরু কিনেছি ৪০  থেকে ৬০ হাজার টাকায় এ বছর ঠিক সে সাইজের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে এক লাখ থেকে ১লাখ বিশ হাজার টাকা।

তবে এক গরু বিক্রেতারা আবুল হোসেন  জানান, গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা এদিক সেদিক হতে পারে, কারণ এ বছরের গো-খাদ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। তবে অধিকাংশ ক্রেতাই গরুর দাম অনেক কম বলছেন।

গরু ব্যাপারী মাগুরা উপজেলা থেকে আসা মনির হোসেন  বলেন, অন্যবারের তুলনায় এবার ক্রেতারা গরুর দাম কম বলছেন। এখন পর্যন্ত বড় গরুর ক্রেতাই খুবই কম এসেছে। তবে ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হলেও আশানুরূপ দাম পাওয়া যাচ্ছে না।

অন্যদিকে এই হাটের একপাশে উঠেছে ছাগল। তবে বারবাজার আজ প্রচুর  ছাগল কেনাবেচা জমে ওঠেছে

ছাগল বিক্রেতা মোঃ রহমত আলী  বলেন, গত বারের চেয়ে এই বার বাজার ছাগল হাটে, ৩০ টা  ছাগলের মধ্যে ২০ টা ছাগল বেচাকেনা করিছি।


গোহাটা  সাক্ষাৎকার দেন, বারবাজার হাট পরিচালনা কমিটি সভাপতি ৯ নং বার বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, প্রতি বছরের ন্যায় হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরালো ভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। 

এ হাটে কোরবানির পশু ক্রেতা ও বিক্রেতারা কোন ভাবেই প্রতারিত কেউ  হবে না, সে জন্য  মাইক প্রচার, সিসি ক্যামেরা, জাল নোট মেশিন বসানো হয়েছে, এবং নিরাপত্তা পুলিশ সব সময় বারবাজার পুলিশ কর্মকর্তা,পুলিশ সদস্যদের টোল চলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের বারবাজার জমে উঠেছে কোরবানির গরু ও ছাগলের  হাট

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ জুলাই ২০২২

মোঃআবু সুফিয়ান শান্তি, ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধি -ঃ ঈদ মানে আনন্দ  ঈদ মানে খুশি কোরবানির আর মাত্র ঈদের ৪ থেকে ৫ দিন সামনে রেখে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা বারবাজার পশুর হাটে জমজমাট বেচাকেনা শুরু হয়ে হয়েছে। ঈদের সময় ঘনিয়ে আসতে আসতে জমজমাট জমে উটে বারবাজার পশুর হাটে। 

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলা বারবাজার  বিভিন্ন যায়গা  থেকে ট্রাক, পিকাপ, নছিমন, করিমন, ভ্যান ভর্তি করে আসছে গরু-ও ছাগল। ব্যস্ততা বেড়েছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের।

কালীগঞ্জ উপজেলার বার বাজার পশু হাট, বারবাজার পশুর হাটে দেখা গেছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় মঙ্গলবার  ভোর থেকে ঝিনাইদহ  জেলা ও অনন্য জেলা থেকে গরু, মহিষ,ছাগল, ভেরা ইত্যাদি আসতে শুরু করে। এই সব হাটে বিভিন্ন জায়গা থেকে পশু এসে কানায় কানায় বারবাজার হাটে পূর্ণ হয়ে যায়।

 হাটে বিভিন্ন সাইজের প্রচুর গরু উঠলেও দাম বেশি হওয়ায় বেশির ভাগ ক্রেতার চাহিদা মাঝারি ও ছোট আকৃতির গরু।

কোরবানি পশু কিনতে আসা বরিশাল জেলার সবুর আলী   ব‍্যাপারি বলেন, অধিকাংশ বিক্রেতাই গরুর দাম অনেক বেশি হাঁকাছেন। গত বছর যে সাইজের গরু কিনেছি ৪০  থেকে ৬০ হাজার টাকায় এ বছর ঠিক সে সাইজের গরুর দাম চাওয়া হচ্ছে এক লাখ থেকে ১লাখ বিশ হাজার টাকা।

তবে এক গরু বিক্রেতারা আবুল হোসেন  জানান, গত বছরের তুলনায় দাম কিছুটা এদিক সেদিক হতে পারে, কারণ এ বছরের গো-খাদ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। তবে অধিকাংশ ক্রেতাই গরুর দাম অনেক কম বলছেন।

গরু ব্যাপারী মাগুরা উপজেলা থেকে আসা মনির হোসেন  বলেন, অন্যবারের তুলনায় এবার ক্রেতারা গরুর দাম কম বলছেন। এখন পর্যন্ত বড় গরুর ক্রেতাই খুবই কম এসেছে। তবে ছোট ও মাঝারি গরু বিক্রি হলেও আশানুরূপ দাম পাওয়া যাচ্ছে না।

অন্যদিকে এই হাটের একপাশে উঠেছে ছাগল। তবে বারবাজার আজ প্রচুর  ছাগল কেনাবেচা জমে ওঠেছে

ছাগল বিক্রেতা মোঃ রহমত আলী  বলেন, গত বারের চেয়ে এই বার বাজার ছাগল হাটে, ৩০ টা  ছাগলের মধ্যে ২০ টা ছাগল বেচাকেনা করিছি।


গোহাটা  সাক্ষাৎকার দেন, বারবাজার হাট পরিচালনা কমিটি সভাপতি ৯ নং বার বাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, প্রতি বছরের ন্যায় হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরালো ভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। 

এ হাটে কোরবানির পশু ক্রেতা ও বিক্রেতারা কোন ভাবেই প্রতারিত কেউ  হবে না, সে জন্য  মাইক প্রচার, সিসি ক্যামেরা, জাল নোট মেশিন বসানো হয়েছে, এবং নিরাপত্তা পুলিশ সব সময় বারবাজার পুলিশ কর্মকর্তা,পুলিশ সদস্যদের টোল চলছে।