এখন ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে এডিপি টেন্ডার নিয়ে জনমনে চরম অসন্তোষ

তানোর (রাজশাহ) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোর পৌরসভায় এডিপির টেন্ডার আহবান নিয়ে জনমনে চরম অসন্তোষ সৃস্টি ও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দিয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড়, বিরাজ করছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন। পৌরবাসির অভিমত, এডিপির অর্থায়নে উন্নয়ন কাজে অধিক গুরুত্বপুর্ণ স্থানকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। কিন্ত্ত
সরেজমিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন বা সাম্ভব্যতা যাচাই না করেই অধিক গুরুত্বপুর্ণ এলাকা বঞ্চিত করে কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তারা বলেন, কথিত সেভেন স্টার ও এমপিবিরোধীদের মনোবাসনা পুরুণে তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে অর্থ তছরুপ করতে এমন টেন্ডার আহবান করা হয়েছে বলে তারা আশঙ্কা করছে। স্থানীয় নাগরিকগণ সরেজমিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন, অধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রকল্প দিয়ে পুনরায় টেন্ডার আহবান ও সিডিউল মোতাবেক কাজ করার জন্য স্থানীয় সাংসদ ও ডিডিএলজি’র জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সুত্র জানায়, তানোর পৌরসভায় ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওয়ায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচির (এডিপি) অর্থায়নে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৯টি প্যাকেজ প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। দরপত্র বিক্রয়ের শেষ দিন ২৮ জুন, গ্রহণের শেষ দিন ২৯ জুন দুপুর একটা পর্যন্ত্য এবং দরপত্র খোলার দিন ২৯ জুন দুপুর ৩টা স্থান পৌর কার্যালয় বলা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় নাগরিকগণের ভাষ্য, তানোর পৌরসভা সৃষ্টির পর থেকে এখন পর্যন্ত এডিপি’র যে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, তার অর্ধেক টাকার উন্নয়ন কাজ করা হলেও পৌরসভার চিত্র বদলে যেতো। কিন্ত্ত টেন্ডার আহবান হয়, ঠিকাদার নিয়োগ হয়, তবে তেমন কোনো কাজ হয় না। এভাবে বছরের পর বছর চলে আসছে। কিন্ত্ত এবার সরকার দলীয মেয়র থাকায় বরাদ্দের পুরো কাজ পায় পায় বুঝে নিতে চাই নাগরিক সমাজ। যে কারণে এবার টেন্ডার আহবানের পর পরই নাগরিকগণ কাজ বুঝে নিতে সচেষ্ট হয়ে উঠেছে। এবার পৌরবাসি এডিপি প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে টেন্ডার আহবান থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত, প্রতিটি প্রকল্প দেখভাল করার জন্য, প্রকল্প প্রতি একজন সরকারি কর্মকর্তা বা সাংসদের প্রতিনিধিকে ট্যাগ কর্মকর্তা
মনোনিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর পৌর মেয়র ইমরুল হক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকল নিয়মনীতি অনুসরণ করে টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। তিনি বলেন, যারা পৌরসভার উন্নয়ন চাই না তারাই এমন ভিত্তিহীন ও আজগবি কথাবার্তা বলতে পারেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে এডিপি টেন্ডার নিয়ে জনমনে চরম অসন্তোষ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৫:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ জুলাই ২০২২

তানোর (রাজশাহ) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোর পৌরসভায় এডিপির টেন্ডার আহবান নিয়ে জনমনে চরম অসন্তোষ সৃস্টি ও মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দিয়েছে,উঠেছে সমালোচনার ঝড়, বিরাজ করছে মুখরুচোক নানা গুঞ্জন। পৌরবাসির অভিমত, এডিপির অর্থায়নে উন্নয়ন কাজে অধিক গুরুত্বপুর্ণ স্থানকে প্রাধান্য দিতে বলা হয়েছে। কিন্ত্ত
সরেজমিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন বা সাম্ভব্যতা যাচাই না করেই অধিক গুরুত্বপুর্ণ এলাকা বঞ্চিত করে কম গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। তারা বলেন, কথিত সেভেন স্টার ও এমপিবিরোধীদের মনোবাসনা পুরুণে তাদের মতামতকে প্রাধান্য দিয়ে অর্থ তছরুপ করতে এমন টেন্ডার আহবান করা হয়েছে বলে তারা আশঙ্কা করছে। স্থানীয় নাগরিকগণ সরেজমিন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন, অধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রকল্প দিয়ে পুনরায় টেন্ডার আহবান ও সিডিউল মোতাবেক কাজ করার জন্য স্থানীয় সাংসদ ও ডিডিএলজি’র জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। সুত্র জানায়, তানোর পৌরসভায় ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওয়ায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসুচির (এডিপি) অর্থায়নে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৯টি প্যাকেজ প্রকল্পের বিপরীতে প্রায় ৭০ লাখ টাকার টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। দরপত্র বিক্রয়ের শেষ দিন ২৮ জুন, গ্রহণের শেষ দিন ২৯ জুন দুপুর একটা পর্যন্ত্য এবং দরপত্র খোলার দিন ২৯ জুন দুপুর ৩টা স্থান পৌর কার্যালয় বলা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় নাগরিকগণের ভাষ্য, তানোর পৌরসভা সৃষ্টির পর থেকে এখন পর্যন্ত এডিপি’র যে বিপুল পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে, তার অর্ধেক টাকার উন্নয়ন কাজ করা হলেও পৌরসভার চিত্র বদলে যেতো। কিন্ত্ত টেন্ডার আহবান হয়, ঠিকাদার নিয়োগ হয়, তবে তেমন কোনো কাজ হয় না। এভাবে বছরের পর বছর চলে আসছে। কিন্ত্ত এবার সরকার দলীয মেয়র থাকায় বরাদ্দের পুরো কাজ পায় পায় বুঝে নিতে চাই নাগরিক সমাজ। যে কারণে এবার টেন্ডার আহবানের পর পরই নাগরিকগণ কাজ বুঝে নিতে সচেষ্ট হয়ে উঠেছে। এবার পৌরবাসি এডিপি প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে টেন্ডার আহবান থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত, প্রতিটি প্রকল্প দেখভাল করার জন্য, প্রকল্প প্রতি একজন সরকারি কর্মকর্তা বা সাংসদের প্রতিনিধিকে ট্যাগ কর্মকর্তা
মনোনিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এবিষয়ে জানতে চাইলে তানোর পৌর মেয়র ইমরুল হক এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সকল নিয়মনীতি অনুসরণ করে টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। তিনি বলেন, যারা পৌরসভার উন্নয়ন চাই না তারাই এমন ভিত্তিহীন ও আজগবি কথাবার্তা বলতে পারেন।