এখন ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তানোরে ঐতিহাসিক সিধু-কানু দিবস উদযাপন

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরে ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৬৭তম সিঁধু-কানু দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, ৩০ জুন বৃহস্পতিবার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) মোহনপুর ভীমপাড়ায় সাঁওতালদের উদ্যোগে এবং কামিল মার্ডির সভাপতিত্বে ও সুনিল কুমারের সঞ্চালনায় ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৬৭তম সিধু-কানু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহাব হোসেন লালু, দপ্তর সম্পাদক জিল্লুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম ও রাম কমল সাহা, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, কলমা ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, বাধাঁইড় ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার ওরফে আবু সাঈদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজির হাসান প্রতাপ সরকার, সৈনিক লীগ সভাপতি বদিউজ্জামান নয়ন, তানোর পৌর আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ হালদার ও কলমা ইউপি ছাত্র লীগ সভাপতি মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন; সাঁওতাল বিদ্রোহ বা সাঁতাল হুল-হলো ১৯ শতকে ব্রিটিশ ভারতে সংঘটিত একটি ঔপনিবেশিক ও জমিদারি শাসন-বিরোধী আন্দোলন, এই আন্দোলনে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী নেতৃত্ব দিয়েছিলো, যার সূচনা হয় ১৮৫৫ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও বিহারের ভাগলপুর জেলায়। তিনি বলেন, ইংরেজ শাসনামলে স্থানীয় জমিদার, মহাজন, ইংরেজদের রাজস্ব ও কৃষি নীতির বিরুদ্ধে সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তোলেন। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় চার মুরমু ভাই- সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব। তিনি বলেন, ১৭৯৩ সালে বড়লাট (গভর্নর-জেনারেল) লর্ড কর্নওয়ালিশের প্রবর্তিত চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে তাঁদের প্রাচীন স্থানান্তর চাষ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। তাই ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের আগে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সাঁওতালরা বিদ্রোহ গড়ে তোলেন। এদিকে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র’নৃ-গোষ্ঠীর ছাত্র- ছাত্রীরা নৃত্য পরিবেশন করেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

তানোরে ঐতিহাসিক সিধু-কানু দিবস উদযাপন

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৮:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরে ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৬৭তম সিঁধু-কানু দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, ৩০ জুন বৃহস্পতিবার পাঁচন্দর ইউনিয়নের (ইউপি) মোহনপুর ভীমপাড়ায় সাঁওতালদের উদ্যোগে এবং কামিল মার্ডির সভাপতিত্বে ও সুনিল কুমারের সঞ্চালনায় ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহের ১৬৭তম সিধু-কানু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,পাঁচন্দর ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওহাব হোসেন লালু, দপ্তর সম্পাদক জিল্লুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম ও রাম কমল সাহা, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার, মুন্ডুমালা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন আমিন, কামারগাঁ ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ, চাঁন্দুড়িয়া ইউপি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, কলমা ইউপি আওয়ামী লীগ সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, বাধাঁইড় ইউপি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব সাইদুর রহমান সরকার ওরফে আবু সাঈদ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের ইসলাম, তানোর পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজির হাসান প্রতাপ সরকার, সৈনিক লীগ সভাপতি বদিউজ্জামান নয়ন, তানোর পৌর আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ হালদার ও কলমা ইউপি ছাত্র লীগ সভাপতি মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদ প্রমুখ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন; সাঁওতাল বিদ্রোহ বা সাঁতাল হুল-হলো ১৯ শতকে ব্রিটিশ ভারতে সংঘটিত একটি ঔপনিবেশিক ও জমিদারি শাসন-বিরোধী আন্দোলন, এই আন্দোলনে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী নেতৃত্ব দিয়েছিলো, যার সূচনা হয় ১৮৫৫ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও বিহারের ভাগলপুর জেলায়। তিনি বলেন, ইংরেজ শাসনামলে স্থানীয় জমিদার, মহাজন, ইংরেজদের রাজস্ব ও কৃষি নীতির বিরুদ্ধে সাঁওতালরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন গড়ে তোলেন। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় চার মুরমু ভাই- সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব। তিনি বলেন, ১৭৯৩ সালে বড়লাট (গভর্নর-জেনারেল) লর্ড কর্নওয়ালিশের প্রবর্তিত চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে তাঁদের প্রাচীন স্থানান্তর চাষ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যায়। তাই ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের আগে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সাঁওতালরা বিদ্রোহ গড়ে তোলেন। এদিকে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র’নৃ-গোষ্ঠীর ছাত্র- ছাত্রীরা নৃত্য পরিবেশন করেন।