এখন ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৎস্য ও পোল্ট্রি খামার করে স্বাবলম্বী সৈয়দপুরের রকি

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ নীলফামারী সৈয়দপুর পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডে কাজীপাড়া মহল্লায় তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন পোল্ট্রি ও মৎস্য খামার রকি।

রকিউজ্জামান রকি একজন সফল মৎস্য ও পোল্ট্রি মুরগির খামারি। শিক্ষিত এই যুবক লেখাপড়া শেষ করে ২০১০ ইং সালে,তারপরে জীবনের গল্পটা ভিন্ন। নিজেকে নিজের পায়ে দাড়াতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চাকুরী করে নিজেকে দাড়াতে চেয়েও পারেনি।সবশেষে নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে চাকরীর জন্য না ঘুরে যুবউন্নয়নের টের্নিং নিয়ে পোল্ট্রি মুরগির খামার তৈরী করেন ২০১৭ সালে,প্রথম অবস্থায় লছ হলেও হতাশ হননি রকি।এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মোঃ রকিউজ্জামান রকি কে।

বর্তমানে রকির পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারে ৮ জন শ্রমিক পুরো খামার তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন।এখন সে এলাকার একজন সফল খামারী। তাকে দেখে অনেকেই পোল্টি মুরগি পালনে এগিয়ে আসছেন।

আগে মুরগি পালন ছিল একটি শখের বিষয়। এখন ব্যবসায়িক ভাবে রুপ নিয়েছে,বর্তমানে বেকারত্ব দূরীকরণ সহ আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার উপায় হয়ে দাড়িয়েছে মৎস্য ও মুরগি পালন। বেকার যুবকরা সামান্য অর্থ নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারে বলে জানালেন রকি।

সৈয়দপুর উপজেলার পৌর ১০ ওয়ার্ড এলাকার সফল পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারী রকিউজ্জামান রকি, গত ৫ বছর ধরে পোল্টি মুরগি খামার করে আসছে। প্রথমে ছোট্ট একটি খামার করে পরে ব্যবসায়িক ভাবে লাভবান হওয়ায় বর্তমানে ২টি বড় ঘর করে ব্রয়লার ও কক মুরগি পালন করছেন। তার খামারে প্রায় ৬ হাজার মুরগি রাখার ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।

মুরগি খামারি রকিউজ্জামান রকি বলেন, লেখাপড়া শেষ করে বেকার হয়ে চাকরীর জন্য ঘুরছিলাম। যুব উন্নয়নের কর্মকর্তার পরার্মশে যুব উন্নয়নের ট্রেনিং নিয়ে ২ লাখ টাকা পুজি নিয়ে পোল্ট্রি খামার শুরু করি।মুরগির খামার করে আমি সংসার চালাচ্ছি। আমি এই ব্যবসা থেকে অনেক অর্থ উপার্জন করেছি এবং আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। বর্তমান মুরগির বাচ্চা ও খাবারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভের পরিমান অনেক কমে গেছে। যদি বর্তমান সরকার বেকারত্ব ঘোচাতে বিভিন্ন ভাবে যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে বাচ্চা ও খাবারের দাম না কমালে মুরগি ব্যবসায়ীরা আগামীতে লাভের পরিবর্তে ক্ষতির সম্মুখীন হবে।উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বলেন, ছোট ব্যবসা হলেও বেকারত্ব দূরীকরণে অনেক বড় ভূমিকা রাখছে মুরগি ও মৎস্য পালনে। আমরা বেকার যুবকদের ট্রেনিং ও আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের দিকে উৎবোদ্ধ করছি।

রকিউজ্জামান রকি আমার দেখা এক জন সফল উদ্যোক্তা। সে শিক্ষা সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজ করে যাচ্ছেন। তার মত বেকার যুবকরা এগিয়ে আসলে দেশের বেকারত্ব কমবে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে বলে এমনটি ধারণা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

মৎস্য ও পোল্ট্রি খামার করে স্বাবলম্বী সৈয়দপুরের রকি

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধি -ঃ নীলফামারী সৈয়দপুর পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডে কাজীপাড়া মহল্লায় তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন পোল্ট্রি ও মৎস্য খামার রকি।

রকিউজ্জামান রকি একজন সফল মৎস্য ও পোল্ট্রি মুরগির খামারি। শিক্ষিত এই যুবক লেখাপড়া শেষ করে ২০১০ ইং সালে,তারপরে জীবনের গল্পটা ভিন্ন। নিজেকে নিজের পায়ে দাড়াতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চাকুরী করে নিজেকে দাড়াতে চেয়েও পারেনি।সবশেষে নিজের বুদ্ধি খাটিয়ে চাকরীর জন্য না ঘুরে যুবউন্নয়নের টের্নিং নিয়ে পোল্ট্রি মুরগির খামার তৈরী করেন ২০১৭ সালে,প্রথম অবস্থায় লছ হলেও হতাশ হননি রকি।এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মোঃ রকিউজ্জামান রকি কে।

বর্তমানে রকির পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারে ৮ জন শ্রমিক পুরো খামার তদারকির দায়িত্বে রয়েছেন।এখন সে এলাকার একজন সফল খামারী। তাকে দেখে অনেকেই পোল্টি মুরগি পালনে এগিয়ে আসছেন।

আগে মুরগি পালন ছিল একটি শখের বিষয়। এখন ব্যবসায়িক ভাবে রুপ নিয়েছে,বর্তমানে বেকারত্ব দূরীকরণ সহ আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার উপায় হয়ে দাড়িয়েছে মৎস্য ও মুরগি পালন। বেকার যুবকরা সামান্য অর্থ নিয়ে এই ব্যবসা শুরু করতে পারে বলে জানালেন রকি।

সৈয়দপুর উপজেলার পৌর ১০ ওয়ার্ড এলাকার সফল পোল্ট্রি ও মৎস্য খামারী রকিউজ্জামান রকি, গত ৫ বছর ধরে পোল্টি মুরগি খামার করে আসছে। প্রথমে ছোট্ট একটি খামার করে পরে ব্যবসায়িক ভাবে লাভবান হওয়ায় বর্তমানে ২টি বড় ঘর করে ব্রয়লার ও কক মুরগি পালন করছেন। তার খামারে প্রায় ৬ হাজার মুরগি রাখার ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।

মুরগি খামারি রকিউজ্জামান রকি বলেন, লেখাপড়া শেষ করে বেকার হয়ে চাকরীর জন্য ঘুরছিলাম। যুব উন্নয়নের কর্মকর্তার পরার্মশে যুব উন্নয়নের ট্রেনিং নিয়ে ২ লাখ টাকা পুজি নিয়ে পোল্ট্রি খামার শুরু করি।মুরগির খামার করে আমি সংসার চালাচ্ছি। আমি এই ব্যবসা থেকে অনেক অর্থ উপার্জন করেছি এবং আর্থিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়েছি। বর্তমান মুরগির বাচ্চা ও খাবারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় লাভের পরিমান অনেক কমে গেছে। যদি বর্তমান সরকার বেকারত্ব ঘোচাতে বিভিন্ন ভাবে যে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে বাচ্চা ও খাবারের দাম না কমালে মুরগি ব্যবসায়ীরা আগামীতে লাভের পরিবর্তে ক্ষতির সম্মুখীন হবে।উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা বলেন, ছোট ব্যবসা হলেও বেকারত্ব দূরীকরণে অনেক বড় ভূমিকা রাখছে মুরগি ও মৎস্য পালনে। আমরা বেকার যুবকদের ট্রেনিং ও আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের দিকে উৎবোদ্ধ করছি।

রকিউজ্জামান রকি আমার দেখা এক জন সফল উদ্যোক্তা। সে শিক্ষা সামাজিক উন্নয়ন মূলক কাজ করে যাচ্ছেন। তার মত বেকার যুবকরা এগিয়ে আসলে দেশের বেকারত্ব কমবে আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে দেশ এগিয়ে যাবে বলে এমনটি ধারণা করেছেন।