এখন ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিনাইদহে বিষপানে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু, পরিবারের দাবী হত্যা

মোঃ রানা আহমেদ বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মরিয়ম খাতুন (৩৮) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার রাতে তিনি বিষপান করেন। সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, জোর করে ওই নারীর স্বামী তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়েছে ।

মরিয়ম খাতুন উপজেলার মান্দিয়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের স্ত্রী ও শহরতলির দিগনগর এলাকার ইজ্জত আলীর মেয়ে।

মরিয়ম খাতুনের ছেলে জিহাদ জানান, রোববার রাত দেড়টার দিকে মায়ের চিৎকারে সে ঘরে গিয়ে দেখে তার বাবা জোর করে তার মায়ের মুখে পানি ঢালছে। তার দাবি, মাকে তার বাবা বিষ দিয়ে মেরে ফেলেছে। এর আগে তুচ্ছ ঘটনায় বাবা-মায়ের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হতো বলেও জানায় জিহাদ।

ওই গ্রামের ইউপি সদস্য মাসুদ আলী জানান, ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা ছিল। তার স্বামী গর্ভের সন্তানকে নষ্ট করতে প্রায়ই তাকে চাপ দিতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হতো বলেও শুনেছি।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ওই নারীর স্বজনদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

ঝিনাইদহে বিষপানে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু, পরিবারের দাবী হত্যা

প্রকাশিত হয়েছে: ১১:৫৩:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

মোঃ রানা আহমেদ বিশেষ সংবাদদাতা -ঃ ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মরিয়ম খাতুন (৩৮) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা মৃত্যু নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার রাতে তিনি বিষপান করেন। সোমবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। স্বজনদের অভিযোগ, জোর করে ওই নারীর স্বামী তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়েছে ।

মরিয়ম খাতুন উপজেলার মান্দিয়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের স্ত্রী ও শহরতলির দিগনগর এলাকার ইজ্জত আলীর মেয়ে।

মরিয়ম খাতুনের ছেলে জিহাদ জানান, রোববার রাত দেড়টার দিকে মায়ের চিৎকারে সে ঘরে গিয়ে দেখে তার বাবা জোর করে তার মায়ের মুখে পানি ঢালছে। তার দাবি, মাকে তার বাবা বিষ দিয়ে মেরে ফেলেছে। এর আগে তুচ্ছ ঘটনায় বাবা-মায়ের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হতো বলেও জানায় জিহাদ।

ওই গ্রামের ইউপি সদস্য মাসুদ আলী জানান, ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা ছিল। তার স্বামী গর্ভের সন্তানকে নষ্ট করতে প্রায়ই তাকে চাপ দিতেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হতো বলেও শুনেছি।

হরিণাকুণ্ডু থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে ওই নারীর স্বজনদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।