এখন ০৪:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩নং কুশনা ইউনিয়ন তালসার কুরি পাড়ার রাস্তা এখন মরণ ফাঁদ

রানা আহমেদ ঝিনাইদহ, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ কোটচাঁদপুর উপজেলা ৩নং কুশনা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সারুটিয়া টু কোটচাঁদপুর সংযোগ সড়ক তালসার কুরি পাড়া রাস্তা এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
সরজমিন দেখা যায় তালসার কুরি পাড়ার সংযোগ রাস্তার সাথে বড় ও গভীরতম পুকুর অবস্থিত। সারুটিয়া টু কোটচাঁদপুর সংযোগ সড়কের পিঁচ রাস্তায় কাজের সময় পুকুরে সিমেন্টের স্লাব ও পিলার দ্বারা পেলা সাইট দেওয়া। সংযোগ সড়ক তালসার কুরি পাড়া রাস্তায় পুকুর অংশে ইটের গাঁথুনি দিয়ে পেলাসাইট দেওয়া ১০ বছর আগে। পুকুরের পানিতে ইটের গাঁথুনির নিচের মাটি সরে যাওয়ার কারনে গাঁথুনিটি ভেঙে পুকুরে পড়ে যায়।পুকুর পেলা সাইট ভেঙ্গে পড়ায় রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরে পরিনত হয়েছে। রাস্তায় এলাকার মানুষের চলাচল করা এখন যেন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।

চলাচল করতে যখন কোন পার্শ্ববর্তী জমির উপর দিয়ে গেলেই শুরু হয় গোলযোগ, কোন সময় হয় হাতাহাতির মত ঘটনা।আজ শনিবার সকালে রাস্তার দুই পাশের বসবাস কারিদের মধ্যে মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের পরিবার ও মোঃ আইনালের পরিবারের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টি হয়।মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পুকুর টা আমার কয়েক চাচাদের শরিকের পাশেই আমার কলম পিলারের পাকা ঘর,রাস্তা ভেঙে পুকুরে যাওয়ার কারনে আমার ঘরের জন্য যেমন হুমকি তেমনি এলাকার মানুষের চলাচল করতে হচ্ছে অসুবিধা। রাস্তা টি আপনারা দেখতে পারছেন পাশের বাড়ির মোঃ আইনালের বাড়ির পানি রাস্তার উপর দিয়ে পুকুরে আসার কারনে পেলা সাইট ভেঙ্গে পড়ায় রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরে পরিনত হয়েছে। পানি যদি আসতে না দেওয়া হয় তখন হয় গোলযোগ। এদিকে মোঃ বিল্লাল হোসেন জানান বৃষ্টির পানি কি ভাবে ধরে রাখবো যে দিকে নিঁচু হবে পানি সেই দিকে গড়িয়ে যাবে, এটা বললেই ছুটে আসেন মারতে। এই বিষয়ে কথা বলা হয় কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন সাথে,তিনি আশ্বস্ত করেন দেখা হবে বিষয়টি, আর আমি চেয়ারম্যান সাহেব কে বলে দিচ্ছি। ৩নং কুশনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহারুজ্জামান সবুজ কে অবহিত করা হলে তিনি জানান আমি অবশ্যই যাতায়াতের জন্য যে ব্যবস্হা করতে হয় সেটা দ্রূত করবো।এলাকায় বসবাস রত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন রাস্তা দিয়ে যেতে অসুবিধা হলে আর বৃষ্টি শুরু হলে প্রায় ঘটে গোলযোগ যা বড় দাঙ্গার ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। রাস্তা টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পেলা সাইট দিয়ে সংস্করণ করা হলে এমন দাঙ্গা সংঘটিত হবে না বলে জানান এলাকার নারী পুরুষ সকলেই।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পঞ্চগড়ে উপজেলা পরিষদে এমপির পরিদর্শন কক্ষের উদ্বোধন

৩নং কুশনা ইউনিয়ন তালসার কুরি পাড়ার রাস্তা এখন মরণ ফাঁদ

প্রকাশিত হয়েছে: ১২:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুন ২০২২

রানা আহমেদ ঝিনাইদহ, বিশেষ প্রতিনিধি -ঃ কোটচাঁদপুর উপজেলা ৩নং কুশনা ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের সারুটিয়া টু কোটচাঁদপুর সংযোগ সড়ক তালসার কুরি পাড়া রাস্তা এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।
সরজমিন দেখা যায় তালসার কুরি পাড়ার সংযোগ রাস্তার সাথে বড় ও গভীরতম পুকুর অবস্থিত। সারুটিয়া টু কোটচাঁদপুর সংযোগ সড়কের পিঁচ রাস্তায় কাজের সময় পুকুরে সিমেন্টের স্লাব ও পিলার দ্বারা পেলা সাইট দেওয়া। সংযোগ সড়ক তালসার কুরি পাড়া রাস্তায় পুকুর অংশে ইটের গাঁথুনি দিয়ে পেলাসাইট দেওয়া ১০ বছর আগে। পুকুরের পানিতে ইটের গাঁথুনির নিচের মাটি সরে যাওয়ার কারনে গাঁথুনিটি ভেঙে পুকুরে পড়ে যায়।পুকুর পেলা সাইট ভেঙ্গে পড়ায় রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরে পরিনত হয়েছে। রাস্তায় এলাকার মানুষের চলাচল করা এখন যেন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে।

চলাচল করতে যখন কোন পার্শ্ববর্তী জমির উপর দিয়ে গেলেই শুরু হয় গোলযোগ, কোন সময় হয় হাতাহাতির মত ঘটনা।আজ শনিবার সকালে রাস্তার দুই পাশের বসবাস কারিদের মধ্যে মোঃ আব্দুর রাজ্জাকের পরিবার ও মোঃ আইনালের পরিবারের মধ্যে গোলযোগ সৃষ্টি হয়।মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, পুকুর টা আমার কয়েক চাচাদের শরিকের পাশেই আমার কলম পিলারের পাকা ঘর,রাস্তা ভেঙে পুকুরে যাওয়ার কারনে আমার ঘরের জন্য যেমন হুমকি তেমনি এলাকার মানুষের চলাচল করতে হচ্ছে অসুবিধা। রাস্তা টি আপনারা দেখতে পারছেন পাশের বাড়ির মোঃ আইনালের বাড়ির পানি রাস্তার উপর দিয়ে পুকুরে আসার কারনে পেলা সাইট ভেঙ্গে পড়ায় রাস্তা ভেঙ্গে পুকুরে পরিনত হয়েছে। পানি যদি আসতে না দেওয়া হয় তখন হয় গোলযোগ। এদিকে মোঃ বিল্লাল হোসেন জানান বৃষ্টির পানি কি ভাবে ধরে রাখবো যে দিকে নিঁচু হবে পানি সেই দিকে গড়িয়ে যাবে, এটা বললেই ছুটে আসেন মারতে। এই বিষয়ে কথা বলা হয় কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ দেলোয়ার হোসেন সাথে,তিনি আশ্বস্ত করেন দেখা হবে বিষয়টি, আর আমি চেয়ারম্যান সাহেব কে বলে দিচ্ছি। ৩নং কুশনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহারুজ্জামান সবুজ কে অবহিত করা হলে তিনি জানান আমি অবশ্যই যাতায়াতের জন্য যে ব্যবস্হা করতে হয় সেটা দ্রূত করবো।এলাকায় বসবাস রত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন রাস্তা দিয়ে যেতে অসুবিধা হলে আর বৃষ্টি শুরু হলে প্রায় ঘটে গোলযোগ যা বড় দাঙ্গার ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। রাস্তা টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পেলা সাইট দিয়ে সংস্করণ করা হলে এমন দাঙ্গা সংঘটিত হবে না বলে জানান এলাকার নারী পুরুষ সকলেই।