নিজস্ব প্রতিবেদক -ঃ কুমিল্লার নাঙ্গলকোট থানার ওসি ফারুক হোসেন ও এসআই ইয়ামিন সুমন সহ স্থানীয় ৫ সাংবাদিক মিলে সবুজপত্রের সম্পাদক জামাল উদ্দিন স্বপ্ন কে পিটিয়ে হাত পা ভেঙে ১০ টি মামলা দেয়ার পরিকল্পনা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, ওসি ফারুক হোসেন ৭ মাস পূর্বে নাঙ্গলকোট থানায় যোগদান করেন। এরপর থেকে নাঙ্গলকোটে থানা তেমন কোনো মামলা হয় না। মানুষ অভিযোগ কিংবা মামলা করতে আসলে তাদের বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে ফেরত পাঠান। তার এসব কর্মকান্ডে পুরনো সকল পুলিশ সদস্যরা বদলি হয়ে যায়। কিন্তু বদলি হওয়ার পরও রয়ে যায় তার কোরামের পুলিশ সদস্য ইয়ামিন সুমন। বর্তমানে সকল মামলা সেই একাই ডিল করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। এসআই ইয়ামিন সুমন ছাড়া থানায় কোন কাজ হয় না। ওসিকে হাতে রেখে একই রাজত্ব করছেন সুমন। সম্প্রতি ওসি ফারুক হোসেন কে নিয়ে সবুজপত্র সহ বিভিন্ন পত্রিকায় তার অনিয়ম দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলে। গত মে মাসে ওসি ফারুক হোসেন ও এসআই ইয়ামিন সুমন সহ নাম ধারি ৫ জন সাংবাদিক মিলে ওসির রুমে এক গোপন মিটিং করেন। ওই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয় এসআই ইয়ামিন সুমনের নেতৃত্বে সবুজপত্রের সম্পাদক জামাল উদ্দিন স্বপ্নকে যেখানেই পাবে সেখানেই পিটিয়ে হাত-পা ভেঙ্গে দিবে। পাশাপাশি থানায় নিয়ে ১০টি মামলা দেয়া হবে। ইয়ামিন সুমন একা না পারলে লোক ভাড়া করে এ সম্পাদকে মারার পরিকল্পনা করে। যদিও ইয়ামিন সুমনের বদলি হয় দেবিদ্বার থানায়। তার এই বদলি ঠেকায় ওসি নিজে। সুমনকে দিয়ে টাকা না নিলেও দামি দামি উপহার সামগ্রী মোবাইল সেট নেন ওসি। ইয়ামিন সুমনের নানা অনিয়ম নিউজ পেতে আগামী সংখ্যায় চোখ রাখুন সবুজপত্রের।













