তপন দাস, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নে, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে, ডাঙ্গাপাড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারী হিসেবে রাজু ইসলাম এর নামে উঠে এসেছে একাধিক অভিযোগ।
এ পর্যন্ত সে সরকারি বালু পাঁচ থেকে সাত লাখ টাকার বিক্রি করে দিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায় বলে জানা যায়। সে প্রতিনিয়ত সরকারি বালু বিক্রি করে দিয়ে আসতেছে।
এ বিষয়ে সংবাদ কর্মী ও মানবাধিকার কর্মী মোঃ আল আমিন ইসলাম ও তার সাথের একটি টিম তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে তাকে বাধা প্রদান করে বালু দস্যু রাজু ও তার সাথে থাকা সন্ত্রাসী সহযোগিরা।
বালু দস্যু রাজু সরাসরি ঐ সংবাদ কর্মীকে বলো এখান হতে চলে যাও, এবং লেখালেখি বাদ দিয়ে অন্য কিছু করো। আমাদের ব্যাপারে নাক গলাতে এসোনা।
আমাদের হাত অনেক লম্বা। যদি এই মূহুর্তে চলে না যাও ও এসব বন্ধ না করো তাহলে প্রান নিয়ে ফিরতে পারবে না।
সংবাদ কর্মী আল আমিন ও সালাম কে প্রাননাশের হুমকি সহ অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করে বালু দস্যু রাজু ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী।
ঘটনাস্থল উপস্থিত ছিলেন, আরো ছয় জন সংবাদ কর্মী, আজকের বসুন্ধরা জেলা প্রতিনিধি মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী (ডলার) ও দৈনিক প্রতিবাদ পত্রিকার রংপুর বিভাগীয় প্রধান রিপোর্টার, এমদাদুল হক (সাজু)।
মোঃ কামরুল জামান, বাংলাদেশ সময় পত্রিকা জলঢাকা উপজেলা প্রতিনিধি,
মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মিলন ক্রাইম রিপোর্টার দৈনিক সন্ধ্যাবাণী সমগ্র বাংলাদেশ।
সংবাদ কর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে চলে আসলে তারা আবার বালু টানার কাজ শুরু করে দেয়।
এ যেন রাবন রাজত্ব।
বালু চুরি সিন্ডিকেটের সেরা হয়ে উঠেছে তথাকথিত এই বালু দস্যু রাজু ইসলাম।
সে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সংবাদকর্মীদের বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেখিয়ে আসতেছেন এমনটি বলেছেন এলাকার মানুষ। এর আগেও তার নামে অনেক অভিযোগ এসেছে এই বালু চুরির বিষয়ে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার কয়েকজন মানুষ আরো বলেন, রাজু এমন একটি ছেলে তার মুখের ব্যাবহার এত পরিমাণে খারাপ আমরা যদি কোন কিছু তাকে বলতে যাই সে আমাদের মারার জন্য লাঠি সোটা নিয়ে বাইর হয়ে আসে এবং প্রাননাশের হুমকি দেয়। সে যে দিক দিয়ে বালু নিয়ে যায়, প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা ধ্বংসের মুখে পরিণত করে রেখেছে।
শুধু তাই নয়, হুমকির মুখে রেখেছেন ছোট ছোট শিশু বাচ্চাদের জীবন যে কোন সময় হয়ে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বিকট শব্দ করে চলে বালুর গাড়ি, যার কারনে ছোট বাচ্চাদের লেখাপড়ায় হয়ে পড়ছে অমনোযোগী।
রাজু এলাকার কাউকে তোয়াক্কা করে না।
তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা আইন সহায়তা কেন্দ্র আসক ফাউন্ডেশন জলঢাকা উপজেলা শাখায় বাদি হয়ে অভিযোগ করলে সে মানবাধিকার সংস্থার নামে উল্টাপাল্টা কথা বলে।
বালুদস্যু রাজু বলে আপনাদের কি করার আছে আপনারা করেন, আমি দেখে নেব।
সে এমন কথা কেন বললো জানতে চাইলে সংবাদকর্মীদের কোন উত্তর দেন না তিনি। শুধু বলে আপনারা আমার কিছুই করতে পারবেন না।