1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (এনপিএস) খুলনা বিভাগ লাকসাম আজগরা ইউপি আ’স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সমাবেশ ও পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত বিরামপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বগুড়ায় দুদিনব্যাপী জামাই মেলা: বড় মাছ কেনার লড়াইয়ে জামাই-শ্বশুর অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদ-এর ২২৭২ তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত প্রশাসনের বন্ধ করা অবৈধ ইটভাটা ফের চালু তানোরে কৃষক দলের আহবায়ক কমিটি গঠন তানোরের দুই মেয়র গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপণে নাগেশ্বরীতে ১৮ টি সংখ্যালঘু পরিবার সরকারের সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বাস্তবায়ন হয়নি, মন্দিরের সংস্কার কাজ

বগুড়ায় নির্মাণাধীন মিলে দুই হাজার মেট্রিক টন ধান অবৈধভাবে মজুদের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৪ ০৫ বার পঠিত

মিরু হাসান, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ- বগুড়ায় মেঘনা গ্রুপের নির্মাণাধীন রাইস মিলে প্রায় দুই হাজার মেট্রিক টন ধান অবৈধভাবে মজুদের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সদর উপজেলার মানিকচক এলাকায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের অভিযানে এ অভিযোগের ব্যাপারে জানানো হয়। তাদের কোন লাইসেন্স নেই তাই এসকল ধান অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুল হক।

জানা গেছে, বগুড়া সদর উপজেলার মানিচক এলাকায় মেঘনা গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান তানভীর ফুড লিমিটেডের নির্মাণাধীন অটো রাইস মিল রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মিলে একাধিক ট্রাকে ধান আসছে এমন খবর পেয়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে ৩৪ ট্রাকে প্রায় ৬৫০ টন এবং মিল ক্যাম্পাসে এক হাজার ৪৫০ টন ধান পাওয়া যায়। এসব ধান মজুদ এবং মিল চালুর কোন বৈধ লাইসেন্স না থাকায় ধানগুলোকে অবৈধ বলে উল্লেখ করে খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়।

এ বিষয়ে তানভীর ফুড লিমিটেডের সিনিয়র ডিজিএম প্রকৌশলী কেতাউর রহমান বলেন, ‘আগামী ১ জানুয়ারি থেকে মিলে পরীক্ষামূলক ধান ভাঙ্গা শুরু হবে। মিলে প্রতি ঘন্টায় ৪০ মেট্রিক ধান প্রয়োজন। তাই এক হাজার ৪০০ মেট্রিক টন ধান ট্রাকে করে আনা হয়েছে।

লাইসেন্স না থাকার ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, ‘আমরা এই সপ্তাহের মধ্যেই সব ধরণের লাইসেন্স পেয়ে যাবো। এজন্য সকল ধরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

সদর উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘অবৈধভাবে ধান মজুদ করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ধান মজুদ, মিল চালু, পাইকারী বা খুচরা এমনকি আমদানিকারকের কোন লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। এই ধানগুলোকে অবৈধ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে সরকারি বিধি মোতাবেক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ