1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
গণমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থা ন্যাশনাল প্রেস সোসাইটি (এনপিএস) খুলনা বিভাগ লাকসাম আজগরা ইউপি আ’স্বেচ্ছাসেবক লীগের কর্মী সমাবেশ ও পরিচিত সভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত বিরামপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ বগুড়ায় দুদিনব্যাপী জামাই মেলা: বড় মাছ কেনার লড়াইয়ে জামাই-শ্বশুর অভিযাত্রিক সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংসদ-এর ২২৭২ তম সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত প্রশাসনের বন্ধ করা অবৈধ ইটভাটা ফের চালু তানোরে কৃষক দলের আহবায়ক কমিটি গঠন তানোরের দুই মেয়র গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপণে নাগেশ্বরীতে ১৮ টি সংখ্যালঘু পরিবার সরকারের সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত। বাস্তবায়ন হয়নি, মন্দিরের সংস্কার কাজ

নাঙ্গলকোটে এক চেয়ারম্যান প্রার্থী ও তার সন্ত্রাসীরা লাঞ্ছিত করলেন অপর প্রার্থীকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২১ ০৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার -ঃ- ইউপি নির্বাচনে মার্কা নিতে এসে চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল জলিল ও তার সন্ত্রাসীদের আক্রমণের শিকার হলেন অপর প্রার্থী মোঃ মঈন উদ্দিন তালুকদার মিন্টু । উভয়ে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঈন উদ্দিন তালুকদার মিন্টুকে দেখেই আবদুল জলিল আক্রমণাত্মক ভাব নিয়ে জিজ্ঞাসা করে, এই আপনি কেন প্রার্থী হয়েছেন? উত্তর দেয়ার আগেই জলিলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা জুয়েল অর্থাত্ প্রার্থী জলিলের ভাগিনা জুয়েল মঈন উদ্দিন তালুকদারকে ধাক্কা মেরে মাটিতে পেলে দেয় ।
এ বিষয়ে মঈন উদ্দিন তালুকদার মিন্টু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট মৌখিকভাবে অভিযোগ করেন । পাশাপাশি এলাকাবাসীর নিকট বিচার চেয়েছেন ।
এলাকার অনেকেই জানান, মঈন উদ্দিন তালুকদার মিন্টু বটতলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক । দলীয় মনোনয়নের আশায় দীর্ঘদিন মাঠে কাজ করেছেন । অপরদিকে কাশীপুর বড় গ্রাম । তারা সাধারণত অন্য গ্রামের কাউকে প্রার্থী হবার সুযোগ দেয় না । তাই বিশেষ প্রক্রিয়া করে আবদুল জলিলের পক্ষে মনোনয়ন ভাগিয়ে নেয় ।
এছাড়া জলিলের অতীত রেকর্ড ভাল নয় । বটতলী বাজারে আওয়ামী লীগ রফিকুল হোসেনের অফিসে অফিস করতেন । এই সুযোগে উক্ত অফিসে ইয়াবার ব্যবসা ও মাদকের আসর বসাতেন নিয়মিত । খবর পেয়ে রফিকুল হোসেন অফিস থেকে বের করে দেন । এক সময় ইয়াবা ও মাদক সম্রাট খ্যাতি ছড়িয়ে পড়লে এই নৌকার মাঝি আবদুল জলিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কালো তালিকায় চলে যায় । অতীত রেকর্ড আরো জানা যায়, ইয়াবা মাদকের ছাড়া এলাকায় একজন কুখ্যাত জুয়াড়ি হিসেবেও তার ব্যাপক পরিচিত রয়েছে । বটতলীতে নিয়মিত গুটির জুয়া ও তাসের জুয়া চালাতো নৌকার এ মাঝি আবদুল জলিল । মাটির মধ্যে শুয়ে জুয়ার গুটি দেখার রেকর্ডে শীর্ষে এবং তিন তাসের ওস্তাদ নামে পরিচিত । পয়সাওয়ালাকে টার্গেট করে অন্যান্য জুয়াড়িদের সাথে আঁতাত করে তাসের ভাঁজে পেলে পয়সাওয়ালা টাকা হাতানোর অসংখ্য অভিযোগ তার বিরুদ্ধে ।
অশিক্ষিত ও বিতর্কিত লোককে নৌকার মাঝি মানতে না পেরে আওয়ামী লীগের বিশাল কর্মী বাহিনী মঈন উদ্দিন তালুকদারকে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করাতে বাধ্য করেন । এক পর্যায়ে তিনি আওয়ামী সমর্থকদের দাবির প্রতি আত্মসমর্পণ করে স্বতন্ত্রভাবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হন ।
লাঞ্ছিত হবার পর প্রতিক্রিয়া স্বরুপ তিনি বলেন, তিনি আশা করেন এলাকাবাসী ব্যালটের মাধ্যমে বিচার করবেন ।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ