1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে ছুরিঘাতে আহত  এক যুবক উদ্ধার আখাউড়ায় তিন টিকেট কালোবাজারিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা কক্সবাজারে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কোটচাঁদপুর রাতের আঁধারে এতিম খানায় কম্বল হাতে ইউএনও খান মাসুম বিল্লাহ কোটচাঁদপুর পৌর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদে পৌর মেয়রের সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষনিক স্বাভাবিক প্রসব সেবা জোরদার করণ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনূষ্ঠিত খোঁজ মিললো নিখোঁজ প্রার্থী আসিফের তানোরে মটর মালিকের দৌরাত্ম্য কৃষকেরা অতিষ্ঠ গোদাগাড়ীতে শেখ কামাল আন্ত: স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সহযোগী করছে ছাত্রলীগ কর্মীরা

দেশকে ভালোবেসে জাতীয় পতাকা বিক্রি করেন আজানুর মোল্লা

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩৮ ০৫ বার পঠিত

এস এম মাসুদ রানা, বিরামপুর (দিনাজপুর প্রতিনিধি -ঃ- দিনাজপুর জেলার বিরামপুর বিভিন্ন হাট-বাজার ও পথে পথে ফেরি করে বিক্রি হচ্ছে লাল সবুজের পতাকা। বিজয়ের মাস এলেই শহর থেকে গ্রামে, হাটে- বাজারে দেখা মেলে ৮/১০ ফুট লম্বা বাঁশে বেঁধে বিক্রি করা এসব পতাকা বিক্রেতাদের।
রয়েছে নানা আকারের পতাকা এবং পতাকার লোগো সংবলিত মাথা ও হাতে বাঁধার ব্যান্ড। পতাকার মধ্যে লাল সবুজের জাতীয় পতাকা যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে মুক্তিযুদ্ধকালীন লাল-সবুজের মাঝে হলুদ মানচিত্র আঁকা পতাকা ও ব্যাচ।

স্থানীয়রা বলেছেন, বিজয়ের মাসে অনেকেই বাড়ির ছাদে, শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সামনে এমনকি গাড়িতেও জাতীয় পতাকা ওড়ান। এর ফলে বিজয়ের মাস এলেই জাতীয় পতাকার চাহিদা বেড়ে যায়। আর এই সুযোগে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা হাট-বাজারে ঘুরে ঘুরে জাতীয় পতাকা বিক্রি করছেন। শুধু পতাকা নয়, হাতে ও মাথায় বাঁধার মতো লাল-সবুজ ব্যাচও বিক্রি করছে। আর ১৬ ডিসেম্বরে লাল-সবুজ পতাকা হাতে দেখা মেলে অসংখ্য শিশু-কিশোরদের।

৫৫ বছর বয়সী আজানুর মোল্লা নামে এমনই এক মৌসুমী পতাকা বিক্রেতার সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা উপজেলার পাইককান্দি গ্রামে। তিনি জানান, সারা বছর সংসারে অন্যান্য কাজ করলেও ১লা ডিসেম্বর পতাকা বিক্রি করার জন্য বিরামপুরে এসেছেন। থাকবেন এ মাসের ১৫ তারিখ পর্যন্ত।

তিনি বলেন, এ সময়টাতে পতাকা, মাথায় ও হাতে বাধার ব্যাচ ও বিজয় দিবসের অন্যান্য সামগ্রী ভালই বিক্রি হতো। তাতে এই ১৫ দিনে পতাকা বিক্রি থেকে আয় হতো প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা। কিন্তুু এবার বিশ্বকাপের খেলা চলার কারণে এ সবের প্রতি তেমন আগ্রহী নেই লোকজনদের। তাই এবার বেঁচা-কেনা কম। তারপরও দিনে ৫/৭শ টাকা বিক্রি হয়।

তিনি আরো জানান, এই বিজয় নিশান কাঁধে নিয়ে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করতে ভালোই লাগে তার। ৬ ফুটের একটি পতাকা বিক্রি করছেন ১৫০ টাকা, ৫ ফুট ১০০ টাকা, সাড়ে ৩ ফুট ৮০ টাকা, আড়াই ফুট ৫০ টাকা, দেড় ফুট ৩০ টাকা আর ১ ফুট ২০ টাকা এবং ফিতা আর ব্যান্ড বিক্রি করছেন ১০ টাকা দরে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ