1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
দেশ বাসিকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাংবাদিক রিয়াজুল হক সাগর গোপালগঞ্জে ঈদুল ফিতরের নামাজের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে রাজধানীতে বাসা থেকে বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার, নিহত ব্যক্তির মেয়েকে মুমূর্ষ উদ্ধার ফসলি জমিতে পুকুর খনন পাকা রাস্তা নষ্ট করে মাটি বানিজ্যে মুক্তাগাছা সাহিত্য সংসদের আলোচনা দোয়া ও ইফতার নওগাঁর বদলগাছীতে পক্ষপাতিত্ব করে মারধর করে ঘর-বাড়ি ভাঙ্গলেন ফাঁড়ির পুলিশ, সংবাদ সংগ্রহের সময় ফাঁড়ি ইনচার্জের হাতে সাংবাদিক লাঞ্চিত তানোরে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে জমি জবরদখল বগুড়ায় শাপলা সুপার মার্কেটে আগুনে ভস্মীভূত ১৫ দোকান মুক্তাগাছায় কৃষক লীগের উদ্যোগে দো’আ,ইফতার ও আলোচনা অনুষ্ঠিত গোপালগঞ্জে কাশিয়ানীতে ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে এক কৃষকের মৃত্যু

লক্ষীপুরে মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী পাইভেটের টাকা নিয়ে শিক্ষিকার হাতে নির্যাতনের শিকার

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ১০২ ০৫ বার পঠিত

রাকিব হোসেন সোহেল, লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ- লক্ষ্মীপুরে দারুল উলুম কামিল এম এ মাদ্রাসা পরিক্ষা চলা কালীন সময়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা জোহরা আক্তার মিম ও ৬ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নোহাকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিকা সালমা ম্যাডামের বিরুদ্ধে।গত মঙ্গলবার বিকালে এর সুবিচার পেতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত দায়ের করেন ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীর মা মর্জিনা বেগম। এর আগে সকালে পরীক্ষার হলে দায়িত্বে থাকার কর্মগত অবস্থায় শিক্ষিকা সালমা মাদ্রাসার ভিতরে শিক্ষার্থী নবম শ্রেণী ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর নোহাকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে খামচি দিয়ে ছাত্রী মিমের মুখ মন্ডলে মারাত্মক জখম করেন শিক্ষিকা সালমা। পরে মিম ও নোহাকে উদ্ধার করে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মিম বাংলা শিক্ষিকার কাছে পাইভেট পড়তো। সেই ১০দিন পাইভেট পড়ার পর হঠাৎ পড়া বন্ধ করে দেয়। তখন মিম তার ১০দিনের পাইভেট পড়ার টাকা দিতে চাইলে সেই টাকা শিক্ষিকা সালমা নেননি।মঙ্গলবার সকালে মিমের হাদীস পরিক্ষা শুরু হয়। সেই পরিক্ষার কেন্দ্রের দ্বায়ীত্ব পড়ে কর্মরত শিক্ষিকা সালমা ও জলিল নামের এক শিক্ষকের।দ্বায়ীত্বরত থাকা অবস্থা জলিল ও সালমার সাথে যে কোনো বিষয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।হঠাৎ ছাত্রী মিমের দিকে দৃষ্টি পড়ে শিক্ষিকা সালমার।এসময় শিক্ষিকা সালমা শিক্ষার্থী মিমের দিকে রাগান্তিত অবস্থা হঠাৎ বলেন।কি রে মিম তুইতো আমার টাকা দিলিনা,বলে বিভিন্ন অক্ষাত ভাষা গালিগালাজ করে একাদিক বার।এমনকি মিমকে চড় থাপ্পড় মারতে থাকে শিক্ষিকা সালমা। একই সাথে পাশে বসা নোহাকেও মারধর করা হয়। পরে খবর পেয়ে তাদের স্বজনরা এসে লক্ষীপুর জেলার সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।এদিকে শিক্ষার্থী মিম দৈনিক গণজাগরণ সহ আরও অন্যান্য সাংবাদিকের উপস্তিতিতে জানান,আমার কি অপরাধ ছিলো, শিক্ষিকা সালমা ম্যাডাম সবার সামনে আমাকে এই ভাবে মারছে। আমার মুখের হিযাব টেনেহিছে খুলে পেলছে, আমার কোনো দোষ নাই। শিক্ষার্থী মিম আরও বলে, আমার কোনো কিছুই হলেই দায় থাকবে সালমা ম্যাডাম। কারণ কখনো বাবা মা আমাকে একটা থাবি চড় দেয়নি। অভিযুক্ত শিক্ষিকা সালমা কে এঘটনার সর্ম্পকে জানা জন্য সাংবাদিকদের প্রশ্ন করা হলেই তিনি প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার কাছে মিম ছয় মাস পাইভেট পড়েছে এক টাকাও দেয়নি। হঠাৎ সেই আমার কাছে পাইভেট পড়ছে না আমার টাকাও দিচ্ছেনা। এছাড়াও শিক্ষার্থী মিম আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে।এবং রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়ার পথে আমাকে দেখে বিভিন্ন ভাষায় মন্তব্য করে গাল মন্দ করছে। তাই আমি তাকে আজ থাপ্পড় চড় মারলাম, এখানে দোষের কিছু হয়নি।ভূক্তভোগীর মা মর্জিনা বেগম জানান,আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই,না হলে আমি মামলা করবো।এই ভাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপরাধ না করেও আমার মেয়ে ও অন্য মেয়েরা শিক্ষিকা সালমার হাতে লাঞ্চিত হবে, এটা কোনো ভাবে কাম্য নয়।আমি গত মঙ্গলবার বিকালে লক্ষীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।এঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য মাদ্রাসার পিন্সিপাল এর নিকট যাওয়া দৈনিক গণজাগরণ কে সেখানে গিয়ে অধ্যক্ষ পিন্সিপাল কে এঘটনার সর্ম্পকে জানতে চেয়ে জিজ্ঞেস করিলে তিনি অক্ষত প্রকাশ করে জানান। এই ব্যাপারে আমরা খুব লর্জ্জীত একজন শিক্ষিকা মাদ্রাসার বিতরে দুইজন শিক্ষার্থী কে মারধর করবে এইটা কোনো ভাবে মেনে নেওয়ার মত নয়।আসলে সে মানসিক ভাবে ভারসাম্য হারে এই ঘটনাটি ঘঠিয়েছে কোনো সুস্থ্য মানুষ এরকম ঘটনার সাথে যুক্ত হইতে পারে বলে আমরা ধারণা নেই। আমার মাদ্রাসার কমিটির সাথে বৈঠক করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দৈনিক গণজাগরণ সদর উপজেলার ইউনো মোঃ ইমরান হোসেন এর সাথে দেখা করে ঘটনার এঘটনার সর্ম্পকে জানেন কিনা তাই জানা সম্বব হয়নি না পাওয়ার কারণে।এদিকে জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখ জনখ ঘটনার বিস্তারিত জেনে আমরা পরর্বতী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ