1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১০:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কোটচাঁদপুর পৌর বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নের প্রতিবাদে পৌর মেয়রের সংবাদ সম্মেলন পঞ্চগড়ে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষনিক স্বাভাবিক প্রসব সেবা জোরদার করণ বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালা অনূষ্ঠিত খোঁজ মিললো নিখোঁজ প্রার্থী আসিফের তানোরে মটর মালিকের দৌরাত্ম্য কৃষকেরা অতিষ্ঠ গোদাগাড়ীতে শেখ কামাল আন্ত: স্কুল ও মাদ্রাসা অ্যাথলেটিকস প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সহযোগী করছে ছাত্রলীগ কর্মীরা পাইকগাছা উপজেলা খাদ্যগুদামে খাওয়ার অনুপযোগী চাউল স্যাম্পল রেখে ফেরত সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও মমতাজ বগুড়া-৪ আসনে ৮৩৪ ভোটে হারলো হিরো আলম, জয়ী তানসেন ডুলাহাজারা বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের দুই
সিংহের মধ্যে রাসেল অবশেষে মারা গেছে
আজ সাপ্তাহিক তিতাসের সম্পাদক ও লেখক রেজাউল করিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

লক্ষীপুরে মাদ্রাসার দুই শিক্ষার্থী পাইভেটের টাকা নিয়ে শিক্ষিকার হাতে নির্যাতনের শিকার

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ৩৮ ০৫ বার পঠিত

রাকিব হোসেন সোহেল, লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ- লক্ষ্মীপুরে দারুল উলুম কামিল এম এ মাদ্রাসা পরিক্ষা চলা কালীন সময়ে নবম শ্রেণীর ছাত্রী ফাতেমা জোহরা আক্তার মিম ও ৬ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী নোহাকে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষিকা সালমা ম্যাডামের বিরুদ্ধে।গত মঙ্গলবার বিকালে এর সুবিচার পেতে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত দায়ের করেন ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীর মা মর্জিনা বেগম। এর আগে সকালে পরীক্ষার হলে দায়িত্বে থাকার কর্মগত অবস্থায় শিক্ষিকা সালমা মাদ্রাসার ভিতরে শিক্ষার্থী নবম শ্রেণী ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর নোহাকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। একপর্যায়ে খামচি দিয়ে ছাত্রী মিমের মুখ মন্ডলে মারাত্মক জখম করেন শিক্ষিকা সালমা। পরে মিম ও নোহাকে উদ্ধার করে লক্ষীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও মাদ্রাসার শিক্ষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে।নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মিম বাংলা শিক্ষিকার কাছে পাইভেট পড়তো। সেই ১০দিন পাইভেট পড়ার পর হঠাৎ পড়া বন্ধ করে দেয়। তখন মিম তার ১০দিনের পাইভেট পড়ার টাকা দিতে চাইলে সেই টাকা শিক্ষিকা সালমা নেননি।মঙ্গলবার সকালে মিমের হাদীস পরিক্ষা শুরু হয়। সেই পরিক্ষার কেন্দ্রের দ্বায়ীত্ব পড়ে কর্মরত শিক্ষিকা সালমা ও জলিল নামের এক শিক্ষকের।দ্বায়ীত্বরত থাকা অবস্থা জলিল ও সালমার সাথে যে কোনো বিষয়ে নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।হঠাৎ ছাত্রী মিমের দিকে দৃষ্টি পড়ে শিক্ষিকা সালমার।এসময় শিক্ষিকা সালমা শিক্ষার্থী মিমের দিকে রাগান্তিত অবস্থা হঠাৎ বলেন।কি রে মিম তুইতো আমার টাকা দিলিনা,বলে বিভিন্ন অক্ষাত ভাষা গালিগালাজ করে একাদিক বার।এমনকি মিমকে চড় থাপ্পড় মারতে থাকে শিক্ষিকা সালমা। একই সাথে পাশে বসা নোহাকেও মারধর করা হয়। পরে খবর পেয়ে তাদের স্বজনরা এসে লক্ষীপুর জেলার সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়।এদিকে শিক্ষার্থী মিম দৈনিক গণজাগরণ সহ আরও অন্যান্য সাংবাদিকের উপস্তিতিতে জানান,আমার কি অপরাধ ছিলো, শিক্ষিকা সালমা ম্যাডাম সবার সামনে আমাকে এই ভাবে মারছে। আমার মুখের হিযাব টেনেহিছে খুলে পেলছে, আমার কোনো দোষ নাই। শিক্ষার্থী মিম আরও বলে, আমার কোনো কিছুই হলেই দায় থাকবে সালমা ম্যাডাম। কারণ কখনো বাবা মা আমাকে একটা থাবি চড় দেয়নি। অভিযুক্ত শিক্ষিকা সালমা কে এঘটনার সর্ম্পকে জানা জন্য সাংবাদিকদের প্রশ্ন করা হলেই তিনি প্রশ্নের জবাবে বলেন, আমার কাছে মিম ছয় মাস পাইভেট পড়েছে এক টাকাও দেয়নি। হঠাৎ সেই আমার কাছে পাইভেট পড়ছে না আমার টাকাও দিচ্ছেনা। এছাড়াও শিক্ষার্থী মিম আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে।এবং রাস্তা দিয়ে আসা যাওয়ার পথে আমাকে দেখে বিভিন্ন ভাষায় মন্তব্য করে গাল মন্দ করছে। তাই আমি তাকে আজ থাপ্পড় চড় মারলাম, এখানে দোষের কিছু হয়নি।ভূক্তভোগীর মা মর্জিনা বেগম জানান,আমি এর উপযুক্ত বিচার চাই,না হলে আমি মামলা করবো।এই ভাবে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অপরাধ না করেও আমার মেয়ে ও অন্য মেয়েরা শিক্ষিকা সালমার হাতে লাঞ্চিত হবে, এটা কোনো ভাবে কাম্য নয়।আমি গত মঙ্গলবার বিকালে লক্ষীপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।এঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য মাদ্রাসার পিন্সিপাল এর নিকট যাওয়া দৈনিক গণজাগরণ কে সেখানে গিয়ে অধ্যক্ষ পিন্সিপাল কে এঘটনার সর্ম্পকে জানতে চেয়ে জিজ্ঞেস করিলে তিনি অক্ষত প্রকাশ করে জানান। এই ব্যাপারে আমরা খুব লর্জ্জীত একজন শিক্ষিকা মাদ্রাসার বিতরে দুইজন শিক্ষার্থী কে মারধর করবে এইটা কোনো ভাবে মেনে নেওয়ার মত নয়।আসলে সে মানসিক ভাবে ভারসাম্য হারে এই ঘটনাটি ঘঠিয়েছে কোনো সুস্থ্য মানুষ এরকম ঘটনার সাথে যুক্ত হইতে পারে বলে আমরা ধারণা নেই। আমার মাদ্রাসার কমিটির সাথে বৈঠক করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।দৈনিক গণজাগরণ সদর উপজেলার ইউনো মোঃ ইমরান হোসেন এর সাথে দেখা করে ঘটনার এঘটনার সর্ম্পকে জানেন কিনা তাই জানা সম্বব হয়নি না পাওয়ার কারণে।এদিকে জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোসেন মুঠোফোনে জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখ জনখ ঘটনার বিস্তারিত জেনে আমরা পরর্বতী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ