1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
চকরিয়ার সবুজবাগে ড্রেনের পানি চলাচল পথ দখলে নিয়ে রাস্তা নির্মাণ, জনদুর্ভোগের আশঙ্কা খাদের কিনারে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি,এমপি ব্যারিস্টার শামীম পাটোয়ারী কুড়িগ্রামে সংবাদ টিভির কেক কাটার মাধ্যমে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপিত হলো বাংলাদেশ প্রিন্টিং মাষ্টার এসোসিয়েশন এর প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন মসজিদে নামাজ পড়াতে গিয়ে ইমামের সাইকেল চুরি রাংগাঝিরি মোঃ ইউনুছ চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে ব্যাটমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ ছাতকে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা ও দোওয়া মাহফিল রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে নবাব ফয়জুন্নেছার ওয়াকফকৃত সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

বগুড়ায় ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে আবারও বিক্ষোভ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ২১ ০৫ বার পঠিত

মিরু হাসান বাপ্পী, বগুড়া সংবাদদাতা -ঃ- বগুড়ায় নতুন ছাত্রলীগ কমিটি বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করছেন কাঙ্খিত পদ না পাওয়া নেতাকর্মী। সোমবার সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক পদক্ষিণ করে। মিছিলে নতুন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অযোগ্য এবং কমিটি বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেন। শেষে জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে তারা সমাবেশ করেন।

সমাবেশে বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ওবাইদুল্লাহ সরকার স্বপনের সভাপতিত্বে বগুড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সুজিত কুমার দাস,ধুনট উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া খন্দকার, শাজাহানপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রঞ্জুসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা দ্রুত সদ্য ঘোষিত কমিটি বাতিল করে মূল ত্যাগী নেতাদের নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণার দাবি জানান।

বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ পাওয়া মাহফুজ ইসলাম জানান, অযোগ্য এই কমিটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

গত ৭ নভেম্বর রাতে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সজীব সাহাকে সভাপতি এবং আল-মাহিদুল ইসলাম জয়কে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এবং তাদের সমর্থকরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

ঘোষিত ওই কমিটিকে এক পেশে এবং অবৈধ উল্লেখ করে তা বাতিলের দাবিতে ৭ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেয় এবং বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করে। পরদিন ৮ নভেম্বর সকাল থেকে তারা দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। ওইদিন তারা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।

পরবর্তীতে ৯ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দলীয় কার্যালয়ে লাগানো তালা খুলে ফেলার জন্য আন্দোলনরত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তারা তাতে সাড়া দেয়নি। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ পরদিন ১০ নভেম্বর সকালে বৈঠক করে আন্দোলনরত ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের কীভাবে নিয়মতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ফেরানো যায় তা নিয়ে আলোচনা করেন।

বৈঠক শেষে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহনসহ কয়েকজন নেতা দুপুর ২টার দিকে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আসেন এবং ছাত্রলীগের নতুন কমিটিকে অবৈধ বলে স্বীকার করে নেন এবং কমিটি বাতিলের জন্য তাদেরকে দলীয় কার্যালয়ের তালা খুলে শাস্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। তার ওই পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীরা দুপুর আড়াইটার দিকে তালাটি খুলে দেয়। তবে ওইদিন রাত সোয়া ৯টার দিকে আবারও আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে তালা লাগানো হয়।

পরবর্তীতে গত শুক্রবার নতুন কমিটি শহরে শোভাযাত্রা করে মুজিব মঞ্চে সমাবেশ করে এবং আন্দোলনকারীরা দলীয় কার্যালয়ের সামনে তাদের আন্দোলন চালিয়ে যান।

এসময় মুজিব মঞ্চে ছাত্রলীগের নতুন সভাপাতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরিচিতি পর্বে বক্তৃতা দিতে গিয়ে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান মজনু জানান, নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ঢালাও অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

তিনি বলেন, যদি কারও কাছে সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ থাকে তাহলে আমাদের কাছে জমা দিন, আমরা অনুসন্ধান করে দেখে ব্যবস্থা নেবো।

অপরদিকে, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মোহন দলীয় কার্যালয়ের সামনে পদবঞ্চিতদের সমাবেশে অংশ নেন। তাদের পক্ষে নিজের সমর্থনের কথা জানান। তিনি আলাপ-আলোচনার জন্য তাদের আন্দোলন দুই দিন স্থগিত রাখার অনুরোধ জানান।

আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘দুইদিনের মধ্যে আওয়ামী লীগের একটি মিটিং হবে সেখানে সমস্যার সমাধানের জন্য আলোচনা হবে। এই দুইদিন পার্টি অফিস সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে যারা ছাত্রলীগের কমিটিতে আছে তারা ঢুকতে পারবে না। যদি ওই আলোচনায় সঠিক সিদ্ধান্ত আসে তাহলে আমরা মেনে নিব। যদি তা না হয় তাহলে আমরা আবার আন্দোলনে ফিরে যাব।’

সবশেষে দুইদিন আন্দোলন স্থগিত রাখার পর আবারো কমিটি বাতিলের দাবি সোমবার সন্ধ্যায় বিক্ষোভ শুরু করেন কাঙ্খিত নেতাকর্মীরা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ