1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০১:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
চকরিয়ার সবুজবাগে ড্রেনের পানি চলাচল পথ দখলে নিয়ে রাস্তা নির্মাণ, জনদুর্ভোগের আশঙ্কা খাদের কিনারে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি,এমপি ব্যারিস্টার শামীম পাটোয়ারী কুড়িগ্রামে সংবাদ টিভির কেক কাটার মাধ্যমে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপিত হলো বাংলাদেশ প্রিন্টিং মাষ্টার এসোসিয়েশন এর প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন মসজিদে নামাজ পড়াতে গিয়ে ইমামের সাইকেল চুরি রাংগাঝিরি মোঃ ইউনুছ চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে ব্যাটমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ ছাতকে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা ও দোওয়া মাহফিল রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে নবাব ফয়জুন্নেছার ওয়াকফকৃত সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

লক্ষীপুরের কমলনগরে সিনিয়র শিক্ষক কে বাদ দিয়ে জুনিয়র শিক্ষিকার বদলী

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ৬৬ ০৫ বার পঠিত

রাকিব হোসেন সোহেল, লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ- লক্ষীপুরের কমলনগরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাথমিক শিক্ষিকার বদলী নিয়ে উঠেছে অভিযোগ।এমন অভিযোগ রয়েছে ফারহানা পারভিনের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী আরও দুইজন শিক্ষকের বদলী প্রার্থী নিয়ে। একই স্কুলে দুইজন পুরুষ একজন মহিলা সহ বদলী প্রার্থী অনলাইনে আবেদন করেন শিক্ষা অফিসার এর নিকট। তারা হলেন,আবু তাহের ফরাজী,চর ফল কন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নদী ভাঙ্গা দুরত্ব ৬কিঃ মিঃ। মাকছুদ হাছান,দক্ষিণ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দুরত্ব ৮কিঃ মিঃ।ফারহানা পারভিন,দক্ষিণ পূর্ব চর জগবন্ধু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দুরত্ব ১কিঃ মিঃ বদলী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করা হয়েছে দক্ষিণ পূর্ব গণিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।সেখানে দেখা যাচ্ছে তিন জন প্রার্থী একটি স্কুলে বদলীর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট আবেদন করেন অনলাইনে দক্ষিণ পূর্ব চর জাঙ্গালিয়া গণিপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী দেওয়ার জন্য।তার মধ্য দঃ পূর্ব চর জগবন্ধু সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ফারহানা পারভিন, এর স্কুল থেকে ১কিঃ মিঃ দুরে বদলীর মনজুর করা হয়।এনিয়ে কমলনগরে তৌড়পাক জোয়ার বইয়ে চলছে স্থানীয় এলাকাবাসীর মুখে সমালোচনার জোয়ার। এলাকাবাসীরা ফুসফুস শব্দ করে বলছে কি করে সম্ভব, সিনিয়রদের বদলীর আবেদন মনজুর না করে জুনিয়র ফারহানা পারভিনের অনলাইনে বদলীর আবেদন মনজুর করা হয়। তারা আরও বলতে শুনা যাচ্ছে সাংবাদিকরা এগুলো দেখেই না।তারা আছে টাকার ধান্ধায়, যে দিকে টাকা আছে, সাংবাদিকরা সেই থাকে। এবং অপররাধীদের সঙ্গে লিয়াজু করে চলছে, যার ফলে অপরাধ চোখে দেখেও না দেখার তালবাহানা করে বেড়ানোই হচ্ছে সাংবাদিকদের কাজ।না হলে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রা, টাকা বিনিময় ছাড়া এই কাজ কিছুইতে সম্ভব নয়। শুনেছি মহিলাদের প্রাধান্য বেশি দিয়েছেন সরকার।তায় বলে কি পুরুষ বলে কোনো মূল্যায়ন নেই।সিনিয়র জুনিয়ার কোনো ভেদাভেদ দেখা যাচ্ছে না শিক্ষার ক্ষেত্রে। জুনিয়র কি ভাবে বদলী পান,যেখানে সিনিয়র বদলী পাওয়ার কথা। সেখানে সিনিয়র কে বাদ দিয়ে জুনিয়ার কি করে বদলী পাই। প্রাথমিক শিক্ষক ও শিক্ষিকার মধ্যে সিনিয়র ও জুনিয়র প্রার্থক এবং রুল মোতাবেক দ্বায়ীত্ব পালন না করার জন্য প্রতিনিদ্ধ্বা ও তৃবনিন্ধা জানিয়েছেন কমলনগরের এলাকাবাসীরা শিক্ষা অফিসাদের বিরুদ্ধে। অনলাইন শিক্ষক ও শিক্ষিকার বদলীর প্রার্থীর নিয়ে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত হাত রয়েছে শিক্ষা অফিসাদের বললেন এলাকাবাসীরা। এলাকাবাসীদের মুখে সমালোচনার কথা শুনা যাচ্ছে চায়ের দোকানে, মুদি দোকানে, এবং হাটে, মাঠে ঘাটে, চলছে তৌড়পাড় সমালোচনা। গত মঙ্গলবার দুপুরে এই কথা শুনে যাওয়া হয় ,দৈনিক গণজাগরণ কে কমলনগর উপজেলার শিক্ষা অফিসারের নিকট। সেখানে গিয়ে শিক্ষক বদলী অনলাইনে সিনিয়র শিক্ষক কে না দিয়ে দেওয়া হয় জুনিয়র শিক্ষিকা ফারহানা পারভিন কে দেওয়ার ব্যাপারে। কেনো দিলেন, মৌখিক জিজ্ঞেস করিলে তিনি প্রশ্নের উত্তরে বলেন, এখানে আমার কোনো হাত নেই। অনলাইনে সাপ্টাওয়ারের বিষয়, আপনার আরও কিছুই জানার থাকলে আমাদের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট জানতে পারেন।এই কথা বলে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সংক্ষেপবে উত্তর দিয়ে শেষ করেন। সেখান থেকে একপর্যায় দৈনিক গণজাগরণ কে আসা হয় জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট। সেখানে এসে সিনিয়র শিক্ষক কে বদলী বাদ দিয়ে জুনিয়র শিক্ষিকা ফারহানা পারভিন কে ১কিঃমিঃ এর ভিররে বদলী দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে, লক্ষীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলেন,আপনার ৫মিনিট আগেই রামগঞ্জের একই অভিযোগ এসেছে। আসলে এবিষয়ে আমাদের কারোর কোনো ধরণের হাত নেই। বরং আমি খুশি শিক্ষক ও শিক্ষিকার বদলীর বিষয়ে অনলাইনে সিস্টেম করার কারণে। অনেক ভালো হয়েছে, এখন আর ঘুষ দিয়ে বদলী পাওয়ার আশার কথা সবার মুখে আসবেনা। শেষ দুর্নীতির সংখ্যা।এখানে সিনিয়র, জুনিয়র বিষয় নয়, বিষয় হচ্ছে অনলাইনের সাপ্টাওয়ারের বিষয়।যার নাম্বার বেশী হবে তাকে দেওয়া হবে অনলাইনের সাপ্টাওয়ারের মাধ্যমে।ফারহানা পারভিন শিক্ষিকার ক্ষেত্রে বেশি নাম্বার পেয়েছে, সে জন্য সেই এগিয়ে আছে। যার ফলে তার বদলী মনজুর হয়েছে।আমি না দেখে এবিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবেনা।তবে সিনিয়র জুনিয়র বদলী বিষয়ে রুল ম্যান্টিং যেনো সাবেক নিয়োমে থাকে।আমার সে বিষয়ে চিঠি দিয়ে জানানো হবে ।এছাড়া,এখন পর্যন্ত শিক্ষকদের মধ্যে, শিক্ষিকার বিরুদ্ধে কেউ কোনো ধরণের অভিযোগ করেনি।যদি কেউ এবিষয়ে অভিযোগ করতেন তাহলে বিষয়টি উপরে শিক্ষা অফিসারদের জানাতে সহজ হইতো।তিনি আরও বলেন আগামীতে যেনো এমন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলে জানিয়ে দেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ