1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শনিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
চকরিয়ার সবুজবাগে ড্রেনের পানি চলাচল পথ দখলে নিয়ে রাস্তা নির্মাণ, জনদুর্ভোগের আশঙ্কা খাদের কিনারে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি,এমপি ব্যারিস্টার শামীম পাটোয়ারী কুড়িগ্রামে সংবাদ টিভির কেক কাটার মাধ্যমে পঞ্চম বর্ষে পদার্পণ উদযাপিত হলো বাংলাদেশ প্রিন্টিং মাষ্টার এসোসিয়েশন এর প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন মসজিদে নামাজ পড়াতে গিয়ে ইমামের সাইকেল চুরি রাংগাঝিরি মোঃ ইউনুছ চৌধুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রামে ব্যাটমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের ২ গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১ ছাতকে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা ও দোওয়া মাহফিল রাজশাহী কারাগারে গোদাগাড়ীর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামির ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে নবাব ফয়জুন্নেছার ওয়াকফকৃত সম্পত্তি রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

রংপুরে আইনজীবী হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড নারীর যাবজ্জীবন

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ৩১ ০৫ বার পঠিত

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর -ঃ- রংপুর নগরীতে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী আসাদুল হক (৬০) হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক হাসান মাহমুদুল ইসলাম আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নগরীর তাজহাট থানা এলাকার ধর্মদাস বারো আউলিয়া গ্রামের মৃত জাফর ড্রাইভারের ছেলে রতন মিয়া (৩২) এবং খোর্দ্দ তামপাট আদর্শপাড়া এলাকার মনির মিস্ত্রীর ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৬)। এছাড়া মোর্শেদা বেগম নামে এক নারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নিহত আইনজীবী আসাদুল হক রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সিনিয়র সদস্য ও সাবেক এপিপি ছিলেন।
নিহত আইনজীবীর দুই মেয়ে। বড় মেয়ে আশা হক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। করোনা পরিস্থিতিতে ছোট মেয়ে বগুড়া আজিজুল হক কলেজের শিক্ষার্থী আরফিন নাহার অংকনকে নিয়ে স্ত্রী নিজ গ্রামের বাড়ি মিঠাপুকুর উপজেলার বালুয়া ছড়ান এলাকায় অবস্থান করছিলেন। আর ধর্মদাস বারো আউলিয়া এলাকার ওই বাড়িতে আসাদুল হক একা থাকতেন।
ঘটনার দিন ২০২০ সালের ৫ জুন (শুক্রবার) বেলা দেড়টার দিকে চুরি করতে গিয়ে আইনজীবীর হাতে ধরা পড়েন রতন। এ সময় আসাদুল হকের গলায় এবং পেটে ছুরিকাঘাত করে দেয়াল টপকে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা রতনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে তাজহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় আসাদুল হকের ছোট মেয়ে আরফিন নাহার অংকন বাদী হয়ে ওইদিনই রতন ও সাইফুলকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তদন্তে মোর্শেদা বেগমের নাম উঠে আসে। মোর্শেদা বেগম মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রতনের মা।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী সরকারি কৌঁসুলি আব্দুল মালেক রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন, আমরা ন্যাচবিচার পেয়েছি। আশা করি উচ্চ আদালতেও এই রায় বহাল থাকবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ