1. crimeletter24@gmail.com : crimelet_crimelet :
শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
চকরিয়ায় সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে শ্রেষ্ঠ জয়িতা ২২ পুরস্কার পেলেন জিনিয়া মুছা আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস উদযাপন উপলক্ষে চকরিয়ায় মানববন্ধন ও আলোচনা রংপুরে সাহিত্য সংস্কৃতি সামাজিক সংগঠন ‘ফিরেদেখা আয়োজনে রোকেয়ার ভাস্কর্যে পুষ্পমাল্য অর্পণ ইউএনও সহ পাইকগাছার ৫ নারী পেলন জয়িতা সম্মাননা বাগাতিপাড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত সরকারী সুবিধা বঞ্চিত মহাছেনা’র জীবন হাতে হাত রেখে সরকারি কর্মকর্তা, শিশু থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ ‘না’ বললো দুর্নীতিকে ‘বিজিবি -বিএসএফ এর সীমান্ত বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছে’  আদমদীঘিতে নৈশপ্রহরীর ২য় স্ত্রীর আত্মহত্যা গোদাগাড়ীতে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা

খনির পানি প্রবাহের মূল ড্রেন ফুটো করে কয়লার অ্যাশ বিক্রি করে অনেকে কোটিপতি

  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০২২
  • ১৮ ০৫ বার পঠিত

আসাদুজ্জামান আসাদ, দিনাজপুর -ঃ- দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি ভূগর্ভ থেকে কয়লার অ্যাশ বিক্রি করে অনেকে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন।। গত ১যুগ ধরে এলাকার এক শ্রেনির ব্যবসায়ী কয়লা খনির ভূগর্ভ থেকে উঠে আসা পানির মূল ড্রেন দিয়ে বাহির হয়ে যায়। সেই ড্রেন সংলগ্ন জমির মালিকেরা ড্রেন ফুটো করে পানি নিজ জমিতে নিয়ে, সেখানে ৩ মাস পরপর খাল থেকে কোটি টাকার কয়লার গাদ জমা করে। সেই গাদ তুলে শুকিয়ে তাতে বালুমাটি ও ছাই মিশিয়ে কোটি টাকা হাতিয় নিচ্ছেন ঐ জমি মালিকেরা।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির স্থাপিত হওয়ার পর ভূর্গভের পানি ভূপৃষ্ঠে তুলে আনার পর সেই পানির সাথে কয়লার কিছু অংশ পানিতে উঠে আসে। যার যার জমি সে খানে রয়েছে তারা ড্রেন ফুটো করে পানি নিয়ে যাচ্ছে ঐ খাল গুলোতে। এখানে আবার মহিলা শ্রমিকরা মুল ড্রেনের মুখে নেট লাগিয়ে কয়লা সংগ্রহ করে আসছে দীর্ঘ দিন যাবত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার মানুষের অভিযোগ খনি কতৃপক্ষের যোগসাজশ রয়েছে তা না হলে এত কয়লার গাত বের হয় কিভাবে।

ব্যাপারে খনি কর্তৃপক্ষ নিরব ভুমিকায়। ঐ এলাকার গুটি কয়েক অসাধু ব্যবসায়ী এই কয়লা অ্যাশ বিক্রি করে কোটি পতি হয়েছেন। বর্তমানে চলমান রয়েছে তাদের কয়লার অ্যাশ বিক্রি। এদিকে খোজ নিয়ে জানা যায়, ড্রেন ফুটো করে পানি নিজ জমিগুলোতে নিয়ে যাওয়ায় খনি কর্তৃপক্ষ সেই ড্রেনের ফুটো এখনও বন্ধ করেন নি। যারা ড্রেন ফুটো করেছে তাদের বিরুদ্ধেও কোন ব্যবস্থ্য গ্রহণ করেনি কর্তৃপক্ষ। বর্তমান সেখানে কয়লা অ্যাশগুলি শুকিয়ে ধুলো করছে সেই ধুলো বাতাসের সাথে মিশে পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অবৈধ্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধেও কোন আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এলাকাবাসীর মনে।

এ ব্যাপারে কয়লাখনি এলাকার সচেতন কৃষক সামসুল আলম এর সাথে কথা বলের তিনি জানান, কয়লার পানির অ্যাশ যত দূরে যায় সেই পানি আমাদের আবাদি জমিগুলোতে ঢুকলে ঐ মাটিও কালো হয়ে যায়। এলাকাবাসী জরুরী ভিত্তিতে খনির মূল ড্রেনের ফুটো বন্ধ করার জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ