
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হত্যা ও হত্যাচেষ্টাসহ পৃথক পাঁচ মামলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রবিবার (৯ নভেম্বর) বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আইভীর করা পৃথক পাঁচটি আবেদনের শুনানি শেষে রুল অ্যাবসলিউট ঘোষণা করে এই রায় দেন।
আদালতে আইভীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান প্রমুখ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতানা আক্তার রুবী।
সুলতানা আক্তার রুবী বলেন, “পৃথক পাঁচ মামলায় রুল অ্যাবসলিউট ঘোষণা করে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে তিনটি হত্যা মামলা এবং দুটি মারাত্মক জখমের অভিযোগের মামলা রয়েছে।”
আইভীর আইনজীবী এস এম হৃদয় রহমান বলেন,
“আমার মক্কেলের (আইভী) বিরুদ্ধে এসব মামলায় কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। তিনি একজন নারী এবং ছয় মাস ধরে কারাগারে রয়েছেন। এই বিবেচনায় আদালত ন্যায়বিচার দিয়েছেন।”
চলতি বছরের ৯ মে ভোরে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগের নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন সেলিনা হায়াৎ আইভী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র–জনতার আন্দোলনের ঘটনায় দায়ের হওয়া তিনটি হত্যা ও দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এর আগে এসব মামলায় একাধিকবার জামিনের আবেদন করা হলেও আদালত তা নামঞ্জুর করেন। অবশেষে আজ হাইকোর্ট তাঁর পক্ষে রায় দেন।
আইভীর পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, আদালতের আদেশের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছালে তাঁর মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে।
২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। পরবর্তীতে নবগঠিত নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন এবং টানা তিনবার মেয়র নির্বাচনে বিজয়ী হন।
দীর্ঘ সময় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই নেত্রী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক সহিংসতার মামলায় গত বছরের ৫ আগস্ট গ্রেপ্তার হন। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে পড়লে ওই সময় নারায়ণগঞ্জে সংঘটিত সহিংস ঘটনার দায়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হয়।
দলীয় ও স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে আইভীর জামিনের খবরে স্বস্তি নেমে এসেছে বলে জানা গেছে। তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা মনে করছেন, এই রায়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার একজন নারী নেত্রীর ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
আপনি কি চান আমি এই নিউজের সঙ্গে প্রকাশযোগ্য একটি ছবি ও ক্যাপশন (যেমন অনলাইন নিউজ পোর্টালের জন্য) তৈরি করি?
যদি বলেন, আমি সঙ্গে সঙ্গে সেটিও তৈরি করে দিতে পারি
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম