
মিরু হাসান, স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সদস্য সচিব পদ থেকে মেরাজ হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূখ্য সংগঠক আজিম উদ্দিন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে একটি বার্তা প্রকাশ করেন।

বার্তায় উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সময়ে মেরাজ হোসেন নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম সদস্য সচিব পদে তার নাম থাকায় এবং তার বিরুদ্ধে জাতীয় পত্রিকায় বিভিন্ন নিউজ হয়েছে এর প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কারনে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বগুড়া জেলা কমিটি থেকে বহিষ্কার করা হলো।

বিষয়টি তদন্ত চলমান পূর্নাজ্ঞ সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সান্তাহার কলেজে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ করে আসছিলেন মেরাজ হোসেন। ২০২৩ সালে বগুড়ার সান্তাহার কলেজ শাখা ছাত্রলীগের রাজন কান্দিদাসকে সভাপতি ও রাফিউল ইসলাম বাঁধনকে সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করেন।বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সজীব সাহা ও সাধারণ সম্পাদক আল মাহিদুল ইসলাম জয়ের স্বাক্ষরিত একপত্রে কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।এই কমিটি তালিকায় ২৯ নাম্বারে উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মেরাজকে।

এরপর থেকে ছাত্রলীগের বিভিন্ন সভা সেমিনার ও দলীয় প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করতেন তিনি। গত ৫ আগষ্ট আওয়ামী সরকার পতন হলে খোলস পাল্টে দল বদল করে। পরে ছাত্র আন্দোলনের অজুহাতে বৈষম্যবিরোধী নেতৃবৃন্দদের সঙ্গে জড়িয়ে পরেন৷ আস্তে আস্তে তাদের মন জয় করে বগুড়া জেলা শাখার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কমিটিতে স্থান নেয়। গত ৩০ জানুয়ারি বগুড়া জেলা শাখায় গঠিত কমিটিতে যুগ্ম সদস্য সচিব পদে তাকে রাখা হয়। ফলে সৃষ্টি হয় মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে গত সোমবার ও মঙ্গলবার বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিকসহ অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। এ ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় মঙ্গলবার দুপুরে উক্ত কমিটি থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম