
রবিউল হোসাইন সবুজ -ঃ- দক্ষিণ কুমিল্লা জুড়ে বিভিন্ন গ্রামে প্রায় প্রতিটি চায়ের দোকানে রয়েছে. টিভি, লুডু, ক্যারাম খেলার ব্যবস্থা। রাস্তার পাশে রয়েছে তাশ, গাফলা ও লুডু খেলার আড্ডা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফাঁকি দিয়ে ছাত্র এবং যুবকদের বেশিরভাগ অংশই সকাল-বিকাল-সন্ধ্যা সেইসব খেলায় সময় দিচ্ছে। বলা যায়, সময়জ্ঞান নেই বলেই তারা সময়কে বিপথে কাজে লাগাচ্ছে। এই কারণে ধ্বংস নামছে ছাত্র ও যুবসমাজ।
ছাত্র ও যুব সমাজ ধীরে-ধীরে জুয়ার সাথে মিশে যাচ্ছে। বিপর্যস্ত হচ্ছে তারা। বাক-প্রতিবন্ধি মানুষের মতই সমাজের একটি প্রবীণ শ্রেণি নিজেদেরকে পুরোপুরি সম্পৃক্ত না করলেও বাধা দিচ্ছেন না। অন্যদিকে প্রচলিত আইনেও এটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিশেষ করে রাস্তার পাশে দোকানগুলোতে কেরাম, লুডু, গাফলা ও তাশ খেলাতো সম্পূর্ণ অবৈধ। আর এদিকে নতুন করে যোগ হচ্ছে, আইপিএল, ফুটবল বিশ্বকাপ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এর ভিন্ন চিত্র। ছাত্র ও যুবকরা খেলায় প্রতিযোগীতার পাশাপাশি বাজি ধরে অনেক সময়ই খেলে থাকে। কিছু-কিছু সময় বাজি যদি টাকার অংক নাও হয় সেটি দোকানের বিভিন্ন কোমল পানীয়, সাবান, তৈল অথবা ফাস্টফুড আইটেম হয়ে থাকে। এতে করে ছাত্ররা প্রতিদিন ১০০০-২০০০ টাকা অনর্থক অর্থ ব্যয় করে। পাশা-পাশি বোর্ড ভাড়া দিয়ে আবার অতিরিক্ত টাকা গচ্ছা দিতে হয়। ছাত্রদের বাবার পকেটের টাকা ব্যাতীত আয়ের তেমন কোন উৎস নেই। প্রতিনিয়ত টাকা বাজে পথে খরচ করতে গিয়ে ঘরে সহ বাহিরে চুরির অভ্যাস গড়ে উঠে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। বাজি ধরা বা জুয়া নামক এই সামাজিক ব্যাধীতে অনেক পরিবার ধ্বংসের পথে চলে যাচ্ছে। আর সমাজের ছোট-ছোট ব্যাধীই যে এক সময় বড় ধরণের অপরাধমূলক কর্মকান্ডে ছাত্র ও যুবসমাজ নেতৃত্ব দেয় সেটি সবারই জানা। খবর নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণ কুমিল্লার উপজেলার প্রতিটি গ্রামের বাজারে লুডু, কেরামবোর্ড রয়েছে চায়ের দোকান গুলোতে। স্থানীয় লোকদের কাছ থেকে জানা যায়, দোকানদার তাদের ব্যবসা ক্ষেত্রে লুডু খেলা বা জুয়া খেলার সুযোগ করে দিচ্ছেন দোকানের ভিতরে। এ খেলা প্রতিকারের জন্য আইন প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন সচেতন নাগরিকগন। তবে মাঝেমধ্যে প্রশাসনের অভিযান চলে।
পাশাপাশি প্রায় প্রতিটি দোকানেই টেলিভিশন চালিয়ে গভির রাত পর্যন্ত আড্ডার মগ্ন থাকে এলাকা কিছু লোক। তাতে করেও চোর-ডাকাতের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ব্যাপারে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সুশিল সমাজ।
এ বিষয়ে লাকসাম - মনােহরগঞ্জের সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মােঃ মুহিতুল ইসলাম বলেন, রাস্তার পাশে কেরাম, তাশ, লুডু,ফ্রি ফায়ার, পাবজি গেম খেলার কোন বৈধতা নেই। পুলিশ প্রশাসন যখনই খোঁজ পাচ্ছে তখন এ অভিযান পরিচালনা করছে। এ অভিযান চলবে। তবে কোথাও খোঁজ পাওয়া যায় তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম