
আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহীর তানোরের স্থানীয় রাজনীতিতে বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী আবুল বাসার সুজন দিন দিন অপ্রতিদন্দী নেতৃত্ব হয়ে উঠছেন। সুজনের আচার-ব্যবহার ও রাজনৈতিক দুরদর্শীতায় তৃণমুলের আমজনতা বিমোহিত। সুজন তৃণমুলের প্রাণশক্তি ও সাহসের অনুপ্রেরণা। অন্যরা যেখানে ব্যর্থ সুজন সেখানেই সফল, যার প্রমাণ তানোর পৌরসভা নির্বাচন। তৃণমুলের ভাষ্য, দল রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায়, এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরাও দলীয় তার পরেও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিল দন্তহীন বাঘ। আওয়ামী লীগ বিরোধীরা তাদের সব সময় দমিয়ে রাখতেন। স্থানীয়ভাবে
কর্মীদের সেল্টার দেবার মতো কেউ ছিলনা। এমনকি দল ক্ষমতায় থাকার পরেও উপজেলা চেয়ারম্যানের নিজ গ্রামে তার উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, হামলা হয়েছে তৃণমুলের নেতাকর্মীদের ওপর। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নেতাদের চরিত্র হনন
করা ছিল সাধারণ ঘটনা। এসব নিয়ে আওয়ামী লীগের আদর্শিক
নেতা-কর্মীদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হলেও প্রতিবাদ করতে পারেনি।
স্থানীয় সাংসদের আহবানে সাড়া দিয়ে আবুল বাসার সুজন রাজনীতিতে সক্রিয় হবার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সেই দুঃসহ যন্ত্রনার দিন শেষ হয়েছে। এখন তাদের আঘাত করলে তারা পাল্টা আঘাত করতে পারে, তাদের এই সাহস ও অনুপ্রেরণার নাম সুজন। সুজন তানোর পৌরসভা নির্ভর রাজনীতি করতে গিয়ে, নেতাকর্মীসহ আম-জনতার কাছে এতোটাই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন, এখন তাকে উপজেলা জুড়ে রাজনীতি করার জন্য তৃণমুল একট্টা হয়ে প্রতিনিয়ত তার উপর চাপ দিচ্ছেন।
স্থানীয় সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর আহবান ও দিকনির্দেশনায় তিনি ইতমধ্যে আদর্শিক ও মানবিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন। রাজনীতিতে স্বদিচ্ছা থাকলে যে পদ পদবী না থাকলেও মানুষের সেবা করা যায়, মানুষের কাছে আপন হয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা যায় সুজন তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ইতমধ্যে তিনি দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের হৃদয়ে পৃথক স্থান অধিকার করে নিয়েছেন। এদিকেে রাজনীতিতে সুজনের এমন অপ্রত্যাশিত উঙ্খানে একটি বিশেষ মহলের রাতের ঘুম হারাম হয়েছে এবং রাজনীতিতে জনসমর্থন হারিয়ে অনেকটা পিছিয়ে পড়েছে। বিশেষ মহল রাজনীতিতে তাদের একচ্ছত্র আধিপত্য হারানোর জন্য সুজনকে দায়ি করে তার বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে। কিন্ত্ত কোনো কিছুতেই সুজনের অগ্রযাত্রা ঠেকাতে পারছে না। অনেকে তাকে স্থানীয় সাংসদের পরবর্তী নেতৃত্ব হিসেবে বিবেচনা করছে। এবিষয়ে আবুল বাসার সুজন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর তিনি একজন কর্মী। তিনি বলেন, আমাদের সবার অভিভাবক সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর সিদ্ধান্তের বাইরে তার কোনো কথা নাই, তিনি চাইলে যেকোনো দায়িত্ব নিতে তিনি প্রস্তুত রয়েছেন।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম