
আলিফ হোসেন, তানোর -ঃ রাজশাহী-১ ভিআইপি এই সংসদীয় আসনে একটানা তিনবারের আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ, সিআইপি,সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী, রাজশাহী চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক, শহীদ পরিবারের সন্তান, জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান হেনার ভাগ্নে এবং বৃক্ষরোপণে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মহামান্য রাস্ট্রপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পুরুস্কৃত নেতৃত্ব আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীকে বির্তকিত করতে জামায়াত-বিএনপির এজেন্ডা বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের বিপদগামী সাবেক নেতার নেতৃত্বে গড়ে উঠা সিন্ডিকেট চক্র আবারো উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়ে এমপির বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা শুরু করেছে। তাদের সব প্রচেষ্টাই যখন ব্যর্থ কোনো কিছু করেই এমপির লেজ ধরতে না পেরে এবার গাড়ী বিতর্ক শুরু করেছে। সিন্ডিকেটের কাছে থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে একশ্রেণীর গণমাধ্যম কর্মী একটি গণমাধ্যমে খবর করেছে, গোদাগাড়ীর এক মাদক ব্যবসায়ী লেটেস্ট মডেলের অত্যাধুনিক একটি মাইক্রোবাস এমপি ফারুক চৌধুরীকে উপহার দিয়েছেন। এই গাড়িটিতে চড়ে এমপি ফারুক তার নির্বাচনী এলাকা গোদাগাড়ী ও তানোর ঘুরে বেড়ান ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন। প্রয়োজনে রাজশাহী-ঢাকায় যাতায়াত করেন এই গাড়ি ঢ়য়ে। কত বড় অর্বাচীন হলে এমন কথা বলা যায়। কারণ এমপি ফারক চৌধুরীর সঙ্গে কি এসব অভিযোগ মানায় ?জানা গেছে, এমপি ফারুক চৌধুরী আশির দশকে সিআইপি মর্যাদা অর্জন ও জেলার সর্বোচ্চ স্বচ্ছ আয়করদাতা ছিলেন। এ সময় বিলাসবহুল পাজেরোসহ একাধিক গাড়ী ছিল ফারুক চৌধুরীর। এখানো তার পরিবারে একাধিক বিলাসবহুল গাড়ি রয়েছে। এখন প্রশ্ন আশির দশকে পাজেরোসহ একাধিক গাড়ীর মালিক প্রায় চার দশক পর এসে কেনো মাদক ব্যবসায়ীর গাড়ী ব্যবহার করবেন তার কি এসব গাড়ী কেনার অর্থ নাই।
অনুসন্ধান বলছে, বিগত সাধারণ নির্বাচনে প্রচারণার জন্য গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এমপির কাছে একটি গাড়ী চাই। তিনি নেতাকর্মীদের ভাল মাণের একটি গাড়ী কিনতে বলেন। নেতাকর্মীরা গোদাগাড়ীর আব্দুর রহিমের কাছে থেকে গাড়ীটি কিনে নির্বাচনী প্রচারণা করেন। নির্বাচনে ফারুক চৌধুরী বিজয়ী হলে নেতাকর্মীরা ওই গাড়ি এমপিকে ফেরত দিয়েছেন। পরবর্তীতে এমপির পুত্র মাশরুল হক চৌধুরীর নামে এভিডেভিড করা হয়েছে। তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠে নেতাকর্মীদের গাড়ী কেনার দায় এমপির উপর চাপানো হচ্ছে কেনো। আর নগদ টাকা দিয়ে কাগজ-পত্রসহ গাড়ী কেনা হয়েছে গাড়ীর মালিক কি করে, কোথায় থাকে ইত্যাদি এসব জানার কোনো প্রয়োজন আছে কি ? আর যেকোনো মোটরযান এভিডেভিড করে এক জনের কাছে থেকে কেনার পর রাতারাতি বিআরটিএ অফিসে গাড়ির পরবর্তী মালিকের নাম উঠে কি ? তাহলে এমপির ব্যবহৃত একাধিক ব্যক্তিগত গাড়ী অনেকে কিনেছেন, আবার বিআরটিএ অফিসে এখানো অনেক গাড়ীর মালিকানা এমপির নামেই রয়েছে, এসব গাড়ী কি এমপির বলে দাবি করা যাবে ? এখন প্রশ্ন উঠতে পারে এমপির একাধিক গাড়ী থাকার পরেও তিনি এই মাইক্রোবাস ব্যবহার করেন কেন ? কারণ একটাই এই গাড়িতে সিট বেশী এক সঙ্গে অনেক নেতাকর্মীকে নিয়ে চলাচল করতে পারেন। অথচ তাদের অপপ্রচারে মনে হয় এমপির কোনো গাড়ী নাই, তিনি তাদের মতো দরিদ্র (হঠাৎ ফুঁলেফেঁপে উঠা) পরিবারের সন্তান, তাই তাকে অন্যর গাড়ী উপহার নিয়ে চলাফেরা করতে হবে। শুধুমাত্র এমপিকে বির্তকিত করতেই এমন অপপ্রচার। অথচ যারা এসব করছে, তাদের কারো বিরুদ্ধে মাদক স্পষ্ট থেকে মাসোয়ারা আদায়, নাশকতা মামালা, মাদক সেবন ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা নেবার অভিযোগ রয়েছে বলে তৃণমুল নেতাকর্মীরা বলছে। ভুলে গেলে হবে না।আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর হাত ধরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে এমপি ফারুক চৌধুরীর রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ। অন্যরা রাজনীতি করে যেখানে পৌচ্ছাতে চাই, সেখান থেকে ফারুক চৌধুরীর রাজনীতি শুরু। অথচ এমন একজন সম্মানিত মানুষের বিরুদ্ধে বার বার কেনো মিথ্যাচার, যারা এসব করছে তারা কারা,একই গোষ্ঠী কেনো বার বার এসব করছে, এদের উদ্দেশ্যে কি ? এ বিষয়ে জানতে চাইলে রহিমের ভাই মনিরুল জানান, গাড়িটির মালিক তার ভাই ছিলেন। তবে বিগত সাধারণ নির্বাচনের আগে গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণার জন্য গাড়ি কিনে নিয়েছে।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম