
মোঃ আসাদুল ইসলাম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি -ঃ গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে কোরবানীর পশুর হাটগুলোতে খাজনা বা হাসিল আদায়ে কোনো নিয়ম-কানুন মানা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। হাটের ইজারাদাররা ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষের কাছ থেকেই খাজনা বা হাসিল আদায় করছেন। এমনকি হাটে টাঙানো হয়নি সরকার নির্ধারিত খাজনা আদায়ের তালিকাও।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধা জেলা হাট-বাজারের নতুন হাসিল রেট অনুসারে একটি গরু কিনলে শুধুমাত্র ক্রেতাকে খাজনা দিতে হবে ৪০০ টাকা ও ছাগলের জন্য ১৫০ টাকা হাসিল বা খাজনা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এই খাজনাও দেবেন কেবল ক্রেতা। বিক্রেতা কোনো হাসিল বা খাজনা দেবেন না।অথচ এই কথার কোনো মূল্য দিচ্ছেই না ইজারদারেরা।
কিন্তু সুন্দরগঞ্জের হাটগুলোতে ইজারাদারেরা প্রতিটি গরু ক্রেতার কাছ থেকে ৬০০ টাকা, বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা, প্রতিটি ছাগল ক্রেতার কাছ থেকে ৩০০ টাকা ও বিক্রেতার কাছ থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করছেন। পশুরহাটে খাজনা আদায়ের তালিকা টাঙানোর বিষয়ে ইজারাদারদের প্রতি সরকারিভাবে নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছেনা। ফলে তারা শুধু পশুর হাট থেকেই প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আর বিপাকে পড়ছেন সাধারণ ক্রেতা ও পশু ব্যবসায়ীরা।
কথা হয় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা ও বিক্রেতার সাথে । উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের শোভাগঞ্জ হাটে একজন গরু ক্রেতা বলেন,আমি দিনমজুর মানুষ দারিদ্রতার মধ্যে বহু কষ্টে উপার্জিত অর্থ দিয়ে একটি ষাঁড় গরু ক্রয় করার জন্য হাটে এসেছি হাটে গরু কেনার পর খাজনা ৬০০টাকা দিতে হলো।আমার বাপ-দাদারা হাটে গরু ছাগল কিনেছিল তখন তাদের টাকা লাগে নাই আর এখন হাটে পশু কিনলেও টাকা বিক্রি করলেও টাকা লাগে।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম