
তানোর (রাজশাহী) প্রতিনিধি -ঃ রাজশাহীর তানোর সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের দুই নারী কর্মীকে নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, দলিল লেখক ও সেব গ্রহীতারা রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এই দু'নারী কর্মীর অপসারণ দাবি করে আসছে কর্মকর্ত-কর্মচারীসহ স্থানীয় অধিবাসিরা। কিন্ত্ত রহস্যজনক কারণে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি এড়িয়ে চলেছে,এতে তাদের মধ্যে চাঁপাক্ষোভ ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এই দুই নারীর প্রধান কাজ বিভিন্ন কৌশলে সহকর্মীদের ফাঁদে ফেলে টাকা আদায়। কদিন আগে তারা সহকর্মী বেলাল হোসেনকে ফাঁদে ফেলে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্র জানায়,গত মে মাসের শেষ সপ্তাহে এই দুই নারী বিপদে পড়েছেন বলে সহকর্মী বেলাল হোসেনের কাছে ফোন করে তাকে দ্রুত
চাঁপাইনবয়াবগঞ্জ জেলা সদরে আশার অনুরোধ করেন। তাদের কথামত বেলাল চাপাইনবয়াবগঞ্জ যাওয়া মাত্র তাকে একটি ঘরে আটকে রেখে, বিয়ের চাপ দিয়ে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিতে চাই। কিন্তু বেলাল রাজি না হলে তাকে ওই দুই মহিলা মারপিট করে জামা-প্যান্ট ছিড়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে জেলে দেবার হুমকি দেয়া হয়। এদিকেএ ঘটনায় বাগমারা ভবানীগন্জ সাবরেজিস্ট্রার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তার নেতৃত্বে রাজশাহী শহরের একটি বাড়িতে সালিশ বৈঠক হয়। সালিশ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ওই নারীর দুলাভাই আলিম মহুরী ও বেলালের দুলাভাই এরাজ উদ্দিন। সালিশ বৈঠকে বেলালকে দোষীসাবস্ত্য করে তার কাছে থেকে নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক নকল নবিশ জানান, সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক হতেই পারে তাই বলে মারপিট করে টাকা আদায় এটা কেমন কথা, তারা এর আগেও এমন অপকর্ম করেছে। এই দুই নারীকে নিয়ে আমরা চরম বিপাকে রয়েছি, টাকার লোভে তারা যেকোনো সময় তাদেরকেও ফাঁসাতে পারেন। তানোর উপজেলা নকল নবিশ সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম জানান, এই দুই মহিলার চলাফেরা ভয়ানক,আমরাও জানতাম না ঘটনা, জরিমানা মারপিটের ঘটনা জানার পর স্যারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছিল। যার কারনে তাদেরকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।তারা বেলালের দেয়া সাড় তিন লাখ টাকা ফেরত চান। এবিষয়ে জানতে চাইলে বেলাল হোসেন, বলেন আমার যা হওয়ার হয়ে গেছে, এসব নিয়ে কথা বলতে পরব না, তবে টাকা ফেরত পেলে ভাল হয়। এবিষয়ে জানতে চাইলে ওই দুই নারী কোনো কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।এবিষয়ে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার তৌহিদুল ইসলাম তাদের সাসপেন্ড করার কথা শিকার করে বলেন, আমি যেদিন অফিস করি সেদিন তাদেরকে দেখিনা। তবে আমার অগোচরে যদি তারা অফিস করে থাকেন তাহলে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম