
জাহাঙ্গীর আলম (মুকুল), খুলনা জেলা প্রতিনিধি -ঃ খুলনার কয়রা থানা এলাকায় একই সাথে বাবা-মা ও মেয়েকে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। বিকৃত যৌন লালসা, প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন ও পরকীয়া সম্পর্কের টানাপোড়নে এ ট্রিপল হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।
আজ দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। এরই মধ্যে হত্যাকাণ্ডে দায় স্বীকার করে আব্দুর রশিদ গাজী নামে এক আসামি জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া আরও পাঁচ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয়া হয়েছে।
জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর রাতে কয়রার বাগালী ইউনিয়নের বামিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান , তার স্ত্রী বিউটি খাতুন ও মেয়ে হাবিবা খাতুন টুনিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরের দিন সকালে বাড়ির পাশে পুকুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় মামলা হয়।
এঘটনায় গতরাতে যশোর থেকে বামিয়া গ্রামের আব্দুর রশিদ গাজীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ওই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। তার স্বীকারোক্তিতে বামিয়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক সাইফুল্লাহ, শাহীন, আব্দুল হক, তাসলিমাসহ আরও ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এরই মধ্যে আব্দুর রশিদ গাজি আদালতে স্বীকারােক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
পুলিশ সুপার জানান, আসামি জিয়াউর রহমান ও রাজিয়া সুলতানার সাথে অবৈধ সম্পর্কে বাধা দেয়ায় হাবিবুর রহমানকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। গত ২৫ অক্টোবর রাতে জিয়াউর ও সামছুরের নেতৃত্ব হাবিবুর, তার স্ত্রী ও মেয়েকে হাত-পা বেধে এবং হাবিবুরের স্ত্রী-মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে তাদের মৃতদেহ পানিতে ফেলে দেয়া হয়।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম