
রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর জেলা প্রতিনিধি -ঃ চলতি মৌসুমের বন্যায় রংপুর বিভাগের ৪ জেলা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা ও রংপুরে প্রায় ৩০ হাজার হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। নিমজ্জিত ফসলের মধ্যে রয়েছে রোপা আমন, আমনের বীজতলা ও শাকসবজি। পানি সরে গেলে এসব ফসলের অধিকাংশই পুনরায় চাষ যোগ্য হবে না বলে মনে করছেন কৃষকরা।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বন্যায় রংপুর অঞ্চলে মোট ২৯ হাজার ৩২১ দশ ৫ হেক্টর জমির ধান, ধানবীজ ও শাকসবজি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে রোপা আমন ২৮ হাজার ৯০১ হেক্টর, বীজতলা ১১৪ দশমিক ৫ হেক্টর এবং শাকসবজি নিমজ্জিত হয়েছে ৩১৫ হেক্টর জমির। এর মধ্যে রংপুরে বীজতলা ৫ হেক্টর, আমন ৬৮ হেক্টর, গাইবান্ধায় ধান ১ হাজার ৫৩৫ হেক্টর,শাকসবজি ২০ হেক্টর। তথ্য মতে এই জেলায় বীজতলা নিমজ্জিত হয়নি। কুড়িগ্রামে বীজতলা নিমজ্জিত হয়েছে ১১৫ হেক্টর, আমন ২৬ হাজার ৪০৫ হেক্টর এবং শাকসবজি ২৮৫ হেক্টর। লালমনিরহাটে আমন ধান নিমজ্জিত হয়েছে ৮৯৩ হেক্টর।
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার কোলকোন্দ ইউনিয়নের আব্দুল মোমিনসহ বেশকজন কৃষক জানান, তাদের ধান এখনো নিমজ্জিত রয়েছে। পানি সরে গেলেও ওই ধান থেকে ফলন হবে না বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক বিধু ভূষন জানান, বন্যায় নিমজ্জিত ফসলের পরিসংখ্যান করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনে মাঠ পর্যায়ে কৃষি বিভাগ কাজ করছে।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম