
শনিবার টেলি কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টিক্যাব) এর আহ্বায়ক মো. মুর্শিদুল হক বলেন, এতে অবৈধভাবে আমদানি, চুরি ও নকল নিম্ন মানের মোবাইল ফোন প্রতিরোধ সম্ভব হবে এবং গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে ও মোবাইল ফোনের হিসাবও রাখা যাবে।
বাজারে প্রতিবছর ২৫-৩০ ভাগ মোবাইল ফোন আসে অবৈধভাবে পথে। সরকার বছরে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারায়।
নিবন্ধন পদ্ধতি চালু হলে রাজস্ব ফাঁকি ঠেকানো সম্ভব হবে জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে টেলিযোগাযোগ খাতের গ্রাহক উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাদের বড় একটি অংশ গ্রামীণ ও স্বল্পশিক্ষিত। তাই নিবন্ধন পদ্ধতিকে যথাযথভাবে সহজ ভাষায় তুলে ধরতে হবে।
পুরোনো মোবাইল ফোন পুনরায় বিক্রি ও বিদেশ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া মোবাইল ফোন নিবন্ধনের বিষয়ে সহজ ও কার্যকর পদ্ধতি জরুরি।
বর্তমানে গ্রাহকদের হাতে থাকা সচল অবৈধ মোবাইল ফোন বন্ধ না করার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আপত্তি তুলে মুর্শিদুল হক বলেন, গ্রাহকদের একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিতে পারে বিটিআরসি।
<p style="text-align: center; ">কার্যালয়: ৩৯/১, বঙ্গবন্ধুএভিনিউ, খদ্দর মার্কেট (৬ষ্ঠ তলা), রুম নং- ০৩, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৭১১-১০ ৪২ ৭২, +৮৮০ ৯৬ ৩৮ ৬৭ ৩৩ ৩০, E-mail:crimeletter24@gmail.com https://www.crimeletter.com</p><p style="text-align: center; "><span style="font-family: inherit; font-weight: inherit;">সম্পাদক ও প্রকাশক : নাজমুল হক, নির্বাহী সম্পাদক:সুরাইয়া আক্তার (সুমি)</span></p>
কপিরাইট - ক্রাইমলেটার.কম